Suspend BTRC’s New SIM Limit Until Public Consultation — Protect Citizens’ Digital Freedom


Suspend BTRC’s New SIM Limit Until Public Consultation — Protect Citizens’ Digital Freedom
The Issue
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ঘোষণা দিয়েছে, একজন নাগরিক তার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) দিয়ে সর্বোচ্চ ১০টি সিম রাখতে পারবেন — যা আগে ছিল ১৫টি।
একই সঙ্গে চালু আছে “রিসাইকেল সিম” প্রথা, যেখানে ব্যবহার না হওয়া সিম কয়েক মাস পর অন্যের হাতে বিক্রি করে দেওয়া হয়।
এই দুই সিদ্ধান্ত একত্রে দেশের কোটি কোটি নাগরিকের আর্থিক ক্ষতি, ডিজিটাল নিরাপত্তা, ও মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ণ করছে।
🧾 কেন এই সিদ্ধান্ত অন্যায্য ও বিপজ্জনক
১️) ডিজিটাল মালিকানার লঙ্ঘন:
একটি সিম কোনো অপারেটরের দান নয় — এটি নাগরিকের কেনা সম্পদ, যা বায়োমেট্রিক যাচাই ও জাতীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে রেজিস্টার করা।
তবুও বিটিআরসি’র নীতি অনুযায়ী, কয়েক মাস ব্যবহার না হলে সেই সিম নতুন গ্রাহকের নামে বিক্রি করা হয় — মালিকের অনুমতি ছাড়াই।
এর ফলে ব্যাংক, বিকাশ, নগদ, ইমেইল বা ফেসবুক অ্যাকাউন্টের OTP ভুল হাতে চলে গিয়ে নাগরিকের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা বিপন্ন হয়
২️) অর্থনৈতিক ক্ষতি:
বিটিআরসি ও অপারেটরদের তিনটি নীতির কারণে জনগণ প্রতিবছর প্রায় ৳৪,৩০০ কোটি টাকা হারাচ্ছে — কোনো অতিরিক্ত সুবিধা ছাড়াই:
রিচার্জ টাকার মেয়াদ শেষ হয়ে ব্যালান্স বাতিল — আনুমানিক ৳১,৮০০ কোটি টাকা ক্ষতি
রিসাইকেল সিম বিক্রয় ও জালিয়াতি — প্রায় ৳৩৭৫ কোটি টাকা অবৈধ মুনাফা
সিম সীমা কমে প্রতিযোগিতা হ্রাস — ইন্টারনেট ও কলরেট বৃদ্ধিতে ৳২,১৬০ কোটি টাকা বাড়তি ব্যয়
এই টাকাগুলো জনগণের পকেট থেকে কেটে টেলিকম অপারেটরদের হাতে চলে যাচ্ছে — যা কার্যত “অসেবা-ভিত্তিক আর্থিক লুটপাট”
৩️) অপরাধ দমনে অকার্যকর:
বিটিআরসি দাবি করছে সিম সীমা অপরাধ দমনে সহায়ক। কিন্তু বাস্তবে অপরাধীরা VPN, ভার্চুয়াল নাম্বার ও এনক্রিপ্টেড অ্যাপ ব্যবহার করে; ফলে সীমা কমানো কোনো সমাধান নয়।
মূল সমস্যা NID ডেটাবেসের নিরাপত্তা দুর্বলতা, যা সিম সীমা দিয়ে সমাধান হয় না
৪️) প্রযুক্তি, ব্যবসা ও গবেষণায় বাধা:
IoT, CCTV, GPS, POS, রাউটার, স্মার্টওয়াচসহ শতাধিক প্রযুক্তিগত কাজে একাধিক সিম লাগে।
এই নীতি গবেষণা, উদ্ভাবন ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য সরাসরি বাধা সৃষ্টি করছে
⚖️ সংবিধান ও নাগরিক অধিকার অনুযায়ী কেন এটি বেআইনি
বাংলাদেশের সংবিধানের
অনুচ্ছেদ ৩১ ও ৩২: জীবিকা ও স্বাধীনতার অধিকার,
অনুচ্ছেদ ৩৯: মত প্রকাশ ও যোগাযোগের স্বাধীনতা,
অনুচ্ছেদ ৪৩: গোপনীয়তার অধিকার —
এই নীতির মাধ্যমে সরাসরি লঙ্ঘিত হচ্ছে।
এছাড়া আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তি ICCPR Article 17 ও 19 অনুযায়ী ব্যক্তিগত যোগাযোগে রাষ্ট্রের অনধিকার হস্তক্ষেপ নিষিদ্ধ।
🧭 আমাদের দাবি
1️⃣ “রিসাইকেল সিম” নীতি স্থায়ীভাবে বাতিল করতে হবে।
2️⃣ সিম সীমা ১৫ থেকে ১০–এ নামানোর সিদ্ধান্ত অবিলম্বে স্থগিত ও পুনর্মূল্যায়ন করতে হবে।
3️⃣ রিচার্জ টাকার মেয়াদ বাতিল করে “ব্যালান্স মেয়াদহীন” নীতি চালু করতে হবে।
4️⃣ নাগরিকের সম্মতি ছাড়া কোনো সিম বিক্রি বা হস্তান্তর আইনগতভাবে নিষিদ্ধ করতে হবে।
5️⃣ ভবিষ্যতের টেলিকম নীতিতে জনশুনানি ও জনগণের মতামত বাধ্যতামূলক করতে হবে
🗣️ আমরা কেন এই পিটিশন করছি
আমরা চাই এই সিদ্ধান্তগুলো পুনর্মূল্যায়ন হোক — যুক্তি, তথ্য ও নাগরিকের মতামতের ভিত্তিতে।
কারণ বিটিআরসি কোনো প্রভাব মূল্যায়ন (impact assessment) বা জনপরামর্শ ছাড়াই এই নীতি কার্যকর করেছে, যা স্বচ্ছ শাসনের পরিপন্থী
📢 আমাদের আহ্বান:
ডিজিটাল বাংলাদেশে নাগরিকের অধিকার সীমিত করা নয় — বরং সুরক্ষিত করা জরুরি।
এই পিটিশনটি স্বাক্ষর করে আপনি আপনার ডিজিটাল স্বাধীনতা, গোপনীয়তা ও মালিকানা রক্ষায় ভূমিকা রাখবেন।
✍️ পিটিশন সাইন করুন ও শেয়ার করুন:
https://c.org/CT4VW9Q4Z6
📅 অনলাইন সচেতনতা ইভেন্ট (No Physical Gathering):
https://www.facebook.com/events/834558339027827
“আমার সিম, আমার অধিকার” — নাগরিকের কণ্ঠই এখন ডিজিটাল বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি।
#MyNumberMyRight #StopSIMLimit #DigitalRightsBD #CancelRecycleSIM

744
The Issue
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ঘোষণা দিয়েছে, একজন নাগরিক তার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) দিয়ে সর্বোচ্চ ১০টি সিম রাখতে পারবেন — যা আগে ছিল ১৫টি।
একই সঙ্গে চালু আছে “রিসাইকেল সিম” প্রথা, যেখানে ব্যবহার না হওয়া সিম কয়েক মাস পর অন্যের হাতে বিক্রি করে দেওয়া হয়।
এই দুই সিদ্ধান্ত একত্রে দেশের কোটি কোটি নাগরিকের আর্থিক ক্ষতি, ডিজিটাল নিরাপত্তা, ও মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ণ করছে।
🧾 কেন এই সিদ্ধান্ত অন্যায্য ও বিপজ্জনক
১️) ডিজিটাল মালিকানার লঙ্ঘন:
একটি সিম কোনো অপারেটরের দান নয় — এটি নাগরিকের কেনা সম্পদ, যা বায়োমেট্রিক যাচাই ও জাতীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে রেজিস্টার করা।
তবুও বিটিআরসি’র নীতি অনুযায়ী, কয়েক মাস ব্যবহার না হলে সেই সিম নতুন গ্রাহকের নামে বিক্রি করা হয় — মালিকের অনুমতি ছাড়াই।
এর ফলে ব্যাংক, বিকাশ, নগদ, ইমেইল বা ফেসবুক অ্যাকাউন্টের OTP ভুল হাতে চলে গিয়ে নাগরিকের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা বিপন্ন হয়
২️) অর্থনৈতিক ক্ষতি:
বিটিআরসি ও অপারেটরদের তিনটি নীতির কারণে জনগণ প্রতিবছর প্রায় ৳৪,৩০০ কোটি টাকা হারাচ্ছে — কোনো অতিরিক্ত সুবিধা ছাড়াই:
রিচার্জ টাকার মেয়াদ শেষ হয়ে ব্যালান্স বাতিল — আনুমানিক ৳১,৮০০ কোটি টাকা ক্ষতি
রিসাইকেল সিম বিক্রয় ও জালিয়াতি — প্রায় ৳৩৭৫ কোটি টাকা অবৈধ মুনাফা
সিম সীমা কমে প্রতিযোগিতা হ্রাস — ইন্টারনেট ও কলরেট বৃদ্ধিতে ৳২,১৬০ কোটি টাকা বাড়তি ব্যয়
এই টাকাগুলো জনগণের পকেট থেকে কেটে টেলিকম অপারেটরদের হাতে চলে যাচ্ছে — যা কার্যত “অসেবা-ভিত্তিক আর্থিক লুটপাট”
৩️) অপরাধ দমনে অকার্যকর:
বিটিআরসি দাবি করছে সিম সীমা অপরাধ দমনে সহায়ক। কিন্তু বাস্তবে অপরাধীরা VPN, ভার্চুয়াল নাম্বার ও এনক্রিপ্টেড অ্যাপ ব্যবহার করে; ফলে সীমা কমানো কোনো সমাধান নয়।
মূল সমস্যা NID ডেটাবেসের নিরাপত্তা দুর্বলতা, যা সিম সীমা দিয়ে সমাধান হয় না
৪️) প্রযুক্তি, ব্যবসা ও গবেষণায় বাধা:
IoT, CCTV, GPS, POS, রাউটার, স্মার্টওয়াচসহ শতাধিক প্রযুক্তিগত কাজে একাধিক সিম লাগে।
এই নীতি গবেষণা, উদ্ভাবন ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য সরাসরি বাধা সৃষ্টি করছে
⚖️ সংবিধান ও নাগরিক অধিকার অনুযায়ী কেন এটি বেআইনি
বাংলাদেশের সংবিধানের
অনুচ্ছেদ ৩১ ও ৩২: জীবিকা ও স্বাধীনতার অধিকার,
অনুচ্ছেদ ৩৯: মত প্রকাশ ও যোগাযোগের স্বাধীনতা,
অনুচ্ছেদ ৪৩: গোপনীয়তার অধিকার —
এই নীতির মাধ্যমে সরাসরি লঙ্ঘিত হচ্ছে।
এছাড়া আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তি ICCPR Article 17 ও 19 অনুযায়ী ব্যক্তিগত যোগাযোগে রাষ্ট্রের অনধিকার হস্তক্ষেপ নিষিদ্ধ।
🧭 আমাদের দাবি
1️⃣ “রিসাইকেল সিম” নীতি স্থায়ীভাবে বাতিল করতে হবে।
2️⃣ সিম সীমা ১৫ থেকে ১০–এ নামানোর সিদ্ধান্ত অবিলম্বে স্থগিত ও পুনর্মূল্যায়ন করতে হবে।
3️⃣ রিচার্জ টাকার মেয়াদ বাতিল করে “ব্যালান্স মেয়াদহীন” নীতি চালু করতে হবে।
4️⃣ নাগরিকের সম্মতি ছাড়া কোনো সিম বিক্রি বা হস্তান্তর আইনগতভাবে নিষিদ্ধ করতে হবে।
5️⃣ ভবিষ্যতের টেলিকম নীতিতে জনশুনানি ও জনগণের মতামত বাধ্যতামূলক করতে হবে
🗣️ আমরা কেন এই পিটিশন করছি
আমরা চাই এই সিদ্ধান্তগুলো পুনর্মূল্যায়ন হোক — যুক্তি, তথ্য ও নাগরিকের মতামতের ভিত্তিতে।
কারণ বিটিআরসি কোনো প্রভাব মূল্যায়ন (impact assessment) বা জনপরামর্শ ছাড়াই এই নীতি কার্যকর করেছে, যা স্বচ্ছ শাসনের পরিপন্থী
📢 আমাদের আহ্বান:
ডিজিটাল বাংলাদেশে নাগরিকের অধিকার সীমিত করা নয় — বরং সুরক্ষিত করা জরুরি।
এই পিটিশনটি স্বাক্ষর করে আপনি আপনার ডিজিটাল স্বাধীনতা, গোপনীয়তা ও মালিকানা রক্ষায় ভূমিকা রাখবেন।
✍️ পিটিশন সাইন করুন ও শেয়ার করুন:
https://c.org/CT4VW9Q4Z6
📅 অনলাইন সচেতনতা ইভেন্ট (No Physical Gathering):
https://www.facebook.com/events/834558339027827
“আমার সিম, আমার অধিকার” — নাগরিকের কণ্ঠই এখন ডিজিটাল বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি।
#MyNumberMyRight #StopSIMLimit #DigitalRightsBD #CancelRecycleSIM

744
The Decision Makers
Petition Updates
Share this petition
Petition created on October 28, 2025