Demand for BRIDGE to connect Gangasagar with main land India #মুড়িগঙ্গা নদীর ওপর সেতু চাই

0 have signed. Let’s get to 5,000!


গঙ্গাসাগর হিন্দুদের দ্বিতীয় বৃহত্তম তীর্থস্থান। এটি অবস্থিত সাগরদ্বীপ নামে সুন্দরবনের একটি দ্বীপে। এই দ্বীপে প্রায় ২.৩ লক্ষ লোক বসবাস করে এবং প্রতিবছর প্রায় ৫০ লক্ষ তীর্থযাত্রী সারা বিশ্ব থেকে গঙ্গাসাগরে আসেন। সাগরদ্বীপ মুড়িগঙ্গা নদীর দ্বারা মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন। এই নদী হল সাগরদ্বীপ বা গঙ্গাসাগরের লাইফ লাইন।
নব্বই দশক থেকে ভেসেল নামক জলযান ছিল যাতায়াতের মূল স্তম্ভ। বর্তমানে এই নদীর প্রায় মজে গেছে ফলে ভেঙে পড়েছে যাতায়াত ব্যবস্থা।
সকাল সাড়ে পাঁচটা থেকে রাত্রি সাড়ে নয়টা পর্যন্ত ভেসেল চলাচলের স্বাভাবিক সময় সূচি কিন্তু জলের পরিমাণ কম থাকার কারণে প্রতিদিন ৬/৭ ঘন্টা ভেসেল পরিষেবা বন্ধ থাকে তাসত্বেও মাঝ নদীতে ভেসেল আটকে যাওয়া নৈমিত্তিক ঘটনা। আগে গঙ্গাসাগর মেলার সময় শুধু ড্রেজিং হতো কিন্তু বর্তমানে সারা বছর ড্রেজিং করা হচ্ছে অথচ ভেসেল যাতায়াত স্বাভাবিক হয়নি। এই অস্বাভাবিক যাতায়াত ব্যবস্থার কারণে সাগর গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে রেফার করা রুগীর মির্ত্যু সাগরবাসীর কাছে স্বাভাবিক ঘটনা। সাগরদ্বীপের মূল অর্থনীতি পান চাষের উপর নির্ভরশীল। প্রতিদিন গভীর রাতে নদী পেরিয়ে হাজার হাজার পান চাষী মৃত্যুর সাথে এক প্রকার লড়াই করতে করতে যায় পান বিক্রি করতে। তীর্থযাত্রীদের অবস্থাও দুর্বিষহ; দূর দূরান্ত থেকে তীর্থযাত্রীরা বাস ট্রেনের ধকল সামলে যখন ভেসেল ঘাটে পৌঁছে দেখেন জল নেই, বসে থাকতে হবে ৬/৭ ঘন্টা তখন তাদের শরীর আর সাথ দেয় না। ভেসেল শুরুর সময় হুড়াহুড়ি তাদের তীর্থযাত্রাকে আরো দুর্বিষহ করে। নিত্য ও তীর্থ যাত্রীদের মধ্যে ঝামেলা প্রায় প্রতিদিনই হয়। ফলে স্বর ওঠে গঙ্গাসাগর আর না বা একবার মাত্র। আর এই কারণে গঙ্গাসাগর আজও পুরীর মত হতে পারেনি । হচ্ছে না পর্যটন শিল্পের বিকাশ; না হচ্ছে কর্মসংস্থান। ৯৭% স্বাক্ষর দ্বীপবাসী ভুগছে বেকারত্বের হাহাকারে। নৌবাহিনী ও সামুদ্রিক বন্দর তৈরির আদর্শ স্থান হিসেবে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত। মৎস্য বন্দর নির্মাণের মাধ্যমে রাজকোষ পূরণও করার সুযোগ রয়েছে। ঝড়খালির সাথে গঙ্গাসাগর জলযানের মাধ্যমে যুক্ত করে সমগ্র সুন্দরবোনের পর্যটন শিল্পের অভূতপূর্ব বিকাশ সম্ভব।

সবকিছুর সমাধান বা নির্ভর করছে বহু আকাঙ্ক্ষিত সেতু নির্মাণের উপর।

দক্ষ প্রশাসক ও দেশভক্ত হয়ে জরুরি ভিত্তিতে সেতু নির্মাণের মাধ্যমে সমগ্র বিশ্বের শঙ্খ দর্শনের প্রবক্তা, বিষ্ণুর পঞ্চম অবতার, মা গঙ্গার মর্তাবরণে অন্যতম ভূমিকা পালন করি বৈদিক ঋষি মহামুনি কপিলের ভক্তদের ও দ্বীপবাসীদের কষ্ট উন্মোচনে এগিয়ে আসবেন বলে দ্বীপবাসী ও সমগ্র বিশ্বের গঙ্গাসাগর তীর্থযাত্রীদের আশা।

ধন্যবাদান্তে
সাগরদ্বীপবাসী ও গঙ্গাসাগর তীর্থযাত্রী

Gangasagar, the meeting point of the Ganges to the Bay of Bengal,the abode of Kapilmuni(the great),is the second biggest pilgrimage of the Hindus.It is situated at sagar island of the Sunderbans in west bengal.Nearly 2.3 lakhs people live here permanently and about 50 lakhs pilgrims use to visit Ganga sagar yearly from our country and outside.But the island, sagardwip,is geographically detached from the main land with the river Muriganga.This river is the life-line of the island. From the last decade of the last century the water vehicle named vessels run between the banks of the river; and it is the only way to communicate. Now the communication system has totally been collapsed as there raise the sand-dunes in the womb of the river. It is possible to run vessels only at the full-tide.The vessel service has regularly been discontinuing for 6 to 7 hours during low-tide. Despite this the vessels are frequently stuck to the dunes loaded with passengers. They have to wait till the tide come. Till 2018 the river would be dredged only for month just before the Ganga sagar mela. WB Govt has decided to dredge regularly throughout the year. But the situation remains same ,dredger is seen but dredging not.As a result ,people of every level ,from patient to doctors,from shopkeeper to hawker,from students to teachers,from beetle leaves farmer to fertilizers, from age old person to child bearing mother,from pilgrims to daily passengers have to face the drudgery of waiting for 6-7hours only to go the either side of the river. No industry whether small or heavy could be possible though the island possesses 97% literacy. Tourism,sea port,naval centre,fishery industry and many other opportunities could be possible had the communication been developed.
All these things depend only on the building the bridge across the Muriganga river.
Everything may be done if the islanders raise their voice for the demand of constructing bridge.
Thanking you,
Sagar-islanders and the pilgrims of Gangasagar.