

Restrict Durga Puja Celebrations, Prevent Rise in COVID 19 Cases


Restrict Durga Puja Celebrations, Prevent Rise in COVID 19 Cases
The Issue
মাননীয়া,
আমরা সকলেই জানি শারোদৎসব বাঙালির আবেগ আনন্দ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করার সবচেয়ে বড় উৎসব। উৎসব পালনের উন্মাদনা বিশ্বের নানা দেশের সঙ্গে আমাদের দেশে আমাদের রাজ্যেও আছে।
কিন্তু এখন করোনা-কাল !
মহারাষ্ট্রে গণেশ চতুর্থী নিয়ে মাতামাতি আটকানো গেছে। নবরাত্রিতে ঐতিহ্যশালী গর্বা নাচ বাতিল করেছে গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র। প্রশাসনের সঠিক ভূমিকায় আমাদের রাজ্যেও ঈদ মহররম পালিত হয়েছে ঘরের মধ্যে!
উল্টোদিকে উৎসব পালনের আবেগকে অধিকতর মান্যতা দিতে গিয়ে স্বাস্থ্যবিধিতে শিথিলতা ঘটে কি ভয়ংকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় তার পরিচয় আমরা পেলাম কেরালায়। ওনামের লাগামহীন উৎসব পালনের পর সেই রাজ্যে কোভিড সংক্রমণ বেড়ে গেছে সাড়ে সাতশো শতাংশ। ভয়াবহ পরিস্থিতির কারণে সেখানে রাজ্যজুড়ে ১৪৪ ধারা জারি হয়েছে। স্পেনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপনের জন্য আর একটি ফুটবল ম্যাচের জনসমাগমের পর সে দেশে কোভিড সংক্রমণ তুঙ্গে ওঠে।
পশ্চিমবঙ্গেও মহালয়া ও বিশ্বকর্মা পুজোর পর থেকে লক্ষ্যণীয় ভাবে সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে!
এটা অশনি সংকেত!
এইসব ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে চিকিৎসা বিজ্ঞানের বাস্তবতা বিচার করে আমাদের ধারণা আসন্ন পূজোর সময় উপযুক্ত সাবধানতার অভাব ঘটলেএই রাজ্যের নাগরিকদের জন্য এক গণ আত্মঘাতী পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। সংক্রমণের সুনামি ঘটে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। চিকিৎসক স্বাস্থ্য কর্মীদের, পুলিশ প্রশাসন কর্মীদের একটানা এতদিনের সব পরিশ্রম, জীবনদান ও সরকারের এতদিনের সব সদর্থক উদ্যোগ কয়েকদিনের সাময়িক আনন্দ উন্মাদনার জন্য নষ্ট হতে দেওয়া যায় না।
রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান হিসাবে আপনার কাছে আমাদের সনির্বন্ধ অনুরোধ
১) পূজা প্যান্ডেলগুলিতে যাতে জন সমাগম নিয়ন্ত্রিত এবং শারীরিক দূরত্ববিধি মেনে হয়, তা নিশ্চিত করুন।
২) সবাই যাতে মাস্ক পরে তার দিকে নজর দেওয়া হোক, সরকারী বরাদ্দের টাকার এক অংশ পূজাকমিটিগুলি মাস্ক কেনার জন্য খরচ করুক। যাঁরা মাস্ক না পরে প্যান্ডেলে আসছেন, তাঁদের মাস্ক দেওয়া হোক।
৩) পূজা মন্ডপের প্রবেশ পথে হাত স্যানিটাইজেশনের ব্যবস্থা থাকুক।
৪) পূজা উপলক্ষ্যে যেসব জলসা বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়, সেগুলি এবার বন্ধ থাকুক।
৫) পূজার সময় সব ব্যানার-ফেস্টুনে মাস্ক-এর ছবি থাকুক।
৬) যে পূজাগুলিতে পুরোহিত-সংগঠক-দর্শনার্থী সহ সবাই মাস্ক পরবেন, হাত স্যানিটাইজেশনের ব্যবস্থা থাকবে, শারীরিক দূরত্ববিধি মানা হবে, সেগুলিকে বিশেষ শারদ সম্মানে ভূষিত করা হোক।
৭) ই-পূজা, ই- রিচুয়াল, ভার্চু়্য়াল দর্শন করা যায় কিনা, প্রশাসন বিবেচনা করুক।
আন্তরিক শ্রদ্ধাসহ
The Issue
মাননীয়া,
আমরা সকলেই জানি শারোদৎসব বাঙালির আবেগ আনন্দ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করার সবচেয়ে বড় উৎসব। উৎসব পালনের উন্মাদনা বিশ্বের নানা দেশের সঙ্গে আমাদের দেশে আমাদের রাজ্যেও আছে।
কিন্তু এখন করোনা-কাল !
মহারাষ্ট্রে গণেশ চতুর্থী নিয়ে মাতামাতি আটকানো গেছে। নবরাত্রিতে ঐতিহ্যশালী গর্বা নাচ বাতিল করেছে গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র। প্রশাসনের সঠিক ভূমিকায় আমাদের রাজ্যেও ঈদ মহররম পালিত হয়েছে ঘরের মধ্যে!
উল্টোদিকে উৎসব পালনের আবেগকে অধিকতর মান্যতা দিতে গিয়ে স্বাস্থ্যবিধিতে শিথিলতা ঘটে কি ভয়ংকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় তার পরিচয় আমরা পেলাম কেরালায়। ওনামের লাগামহীন উৎসব পালনের পর সেই রাজ্যে কোভিড সংক্রমণ বেড়ে গেছে সাড়ে সাতশো শতাংশ। ভয়াবহ পরিস্থিতির কারণে সেখানে রাজ্যজুড়ে ১৪৪ ধারা জারি হয়েছে। স্পেনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপনের জন্য আর একটি ফুটবল ম্যাচের জনসমাগমের পর সে দেশে কোভিড সংক্রমণ তুঙ্গে ওঠে।
পশ্চিমবঙ্গেও মহালয়া ও বিশ্বকর্মা পুজোর পর থেকে লক্ষ্যণীয় ভাবে সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে!
এটা অশনি সংকেত!
এইসব ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে চিকিৎসা বিজ্ঞানের বাস্তবতা বিচার করে আমাদের ধারণা আসন্ন পূজোর সময় উপযুক্ত সাবধানতার অভাব ঘটলেএই রাজ্যের নাগরিকদের জন্য এক গণ আত্মঘাতী পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। সংক্রমণের সুনামি ঘটে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। চিকিৎসক স্বাস্থ্য কর্মীদের, পুলিশ প্রশাসন কর্মীদের একটানা এতদিনের সব পরিশ্রম, জীবনদান ও সরকারের এতদিনের সব সদর্থক উদ্যোগ কয়েকদিনের সাময়িক আনন্দ উন্মাদনার জন্য নষ্ট হতে দেওয়া যায় না।
রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান হিসাবে আপনার কাছে আমাদের সনির্বন্ধ অনুরোধ
১) পূজা প্যান্ডেলগুলিতে যাতে জন সমাগম নিয়ন্ত্রিত এবং শারীরিক দূরত্ববিধি মেনে হয়, তা নিশ্চিত করুন।
২) সবাই যাতে মাস্ক পরে তার দিকে নজর দেওয়া হোক, সরকারী বরাদ্দের টাকার এক অংশ পূজাকমিটিগুলি মাস্ক কেনার জন্য খরচ করুক। যাঁরা মাস্ক না পরে প্যান্ডেলে আসছেন, তাঁদের মাস্ক দেওয়া হোক।
৩) পূজা মন্ডপের প্রবেশ পথে হাত স্যানিটাইজেশনের ব্যবস্থা থাকুক।
৪) পূজা উপলক্ষ্যে যেসব জলসা বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়, সেগুলি এবার বন্ধ থাকুক।
৫) পূজার সময় সব ব্যানার-ফেস্টুনে মাস্ক-এর ছবি থাকুক।
৬) যে পূজাগুলিতে পুরোহিত-সংগঠক-দর্শনার্থী সহ সবাই মাস্ক পরবেন, হাত স্যানিটাইজেশনের ব্যবস্থা থাকবে, শারীরিক দূরত্ববিধি মানা হবে, সেগুলিকে বিশেষ শারদ সম্মানে ভূষিত করা হোক।
৭) ই-পূজা, ই- রিচুয়াল, ভার্চু়্য়াল দর্শন করা যায় কিনা, প্রশাসন বিবেচনা করুক।
আন্তরিক শ্রদ্ধাসহ
Petition Closed
Share this petition
The Decision Makers
Petition Updates
Share this petition
Petition created on 7 October 2020