Mise à jour sur la pétitionJustice for Grameenphone Workers: Stop the Crackdown, Pay Our Rightful Dues!বাংলাদেশীদের স্বপ্নে ও শ্রমে গড়া Grameenphone যেভাবে নরওয়েজিয়ান জলদস্যুদের হল ⚔️🛡️⛵️🪓
Anwar M HossainPhiladelphia, PA, États-Unis
30 août 2025
আজ আমরা যখন হাতে মোবাইল নিয়ে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে কথা বলি, তখন ভুলেই যাই—একসময় বাংলাদেশের গ্রামে এটা ছিল অকল্পনীয় ব্যাপার। সেই অসম্ভবকে সম্ভব করেছিলেন দুইজন অসাধারন বাংলাদেশী —ইকবাল কাদের আর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ইকবাল কাদের দেখিয়েছিলেন, মোবাইল ফোন শুধু শহরের জন্য নয়, গ্রামেও মানুষের জীবন বদলে দেওয়ার হাতিয়ার হতে পারে। আর ড. ইউনূস সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে Grameen Bank-এর অভিজ্ঞতা ও গ্রামীণ টেলিকমের মাধ্যমে শক্ত হাতে এগিয়ে এসেছিলেন। ফলাফল? গ্রামীণফোন—যেটি আমাদের যোগাযোগের ইতিহাস পাল্টে দিয়েছে। গ্রামের নারীরা ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে ফোন কিনে পুরো গ্রামকে সংযুক্ত করেছে। অনন্য এক সহযোগিতার গল্প, যেখানে এক উদ্যোক্তার স্বপ্ন আর এক নোবেলজয়ীর আস্থা মিলেমিশে বাংলাদেশের টেলিকম বিপ্লব তৈরি করে। ২০০০ সালে ইকবাল কাদের GP থেকে সরে যান। কিন্তু তিনি থেমে থাকেননি—Harvard, MIT, bKash, BioEnergy—প্রতিটি ধাপে তিনি বাংলাদেশকে নতুনভাবে তুলে ধরেছেন। আর ড. ইউনূস তাঁর মাইক্রোক্রেডিট আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বিশ্বকে শিখিয়েছেন, কীভাবে দরিদ্র মানুষরাও অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হতে পারে। আজ আমরা কৃতজ্ঞচিত্তে বলতে পারি—ইকবাল কাদের আর ড. মুহাম্মদ ইউনূস কেবল ব্যক্তি নন, তারা বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস আর সম্ভাবনার প্রতীক। গ্রামীণফোনের প্রথম হেডকোয়ার্টার ছিল ঢাকার মহাখালীর আড়ং হাউজ। ১৯৯৮–১৯৯৯ সালে সেখানে কর্মীদের এক সমাবেশে আমি নিজেও উপস্থিত ছিলাম। আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে ড. ইউনূস বলেছিলেন— “চুক্তি অনুযায়ী প্রথম পাঁচ বছর টেলিনর ম্যানেজমেন্ট চালাবে। এরপর দায়িত্ব চলে আসবে গ্রামীণ টেলিকমের হাতে।” সেদিন আমরা সবাই ভরপুর আশায় বুক বাঁধলাম। মনে হয়েছিল, খুব শিগগিরই গ্রামীণফোনের মতো একটি ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ স্থানীয় হাতে আসবে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ হলো। টেলিনর তাদের নিয়ন্ত্রণ ছাড়ল না, বরং আরও মজবুত করল। অক্টপাসের মত জাপটে ধরল বাংলাদেশীদের স্বপ্নকে, নরওয়েজিয়ান ভাইকিংস! পরে ব্যক্তিগতভাবে আমি একাধিকবার ড. ইউনূসের অফিসে যাওয়ার সুযোগ হয়েছে , তাঁর ব্যক্তিগত ফোনের সমস্যায় সাহায্য করতে। সেসব মুহূর্তে কাছ থেকে দেখেছি—টেলিনরের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের কারণে তিনি কতটা হতাশ ছিলেন। তাঁর চোখেমুখে তখন যেন এক ভঙ্গুর বেদনা লুকিয়ে থাকত, যেন তিনি নিজের চোখে দেখছেন এক অসমাপ্ত প্রতিশ্রুতির ইতিহাস। আজ এত বছর পর ফিরে তাকালে মনে হয়—আমরা যারা আড়ং হাউজে সেই দিন উপস্থিত ছিলাম, তারা প্রত্যক্ষ করেছি শুধু একটি প্রতিশ্রুতি নয়, বরং একটি ভগ্ন প্রতিশ্রুতির জন্মও। গ্রামীণফোন, যে প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের স্বপ্ন থেকে জন্ম নিয়েছিল, সেটি ধীরে ধীরে বিদেশি কর্পোরেট আধিপত্যের প্রতীকে পরিণত হলো। বাংলাদেশের আইন স্পষ্ট করে বলেছে—কোনো কোম্পানি প্রফিট করলে তার ৫% কর্মীদের দিতে হবে। এটা কোনো চ্যারিটি নয়, কোনো দয়া নয়—এটা আইনগত অধিকার। এই প্রাপ্য না দেওয়া মানে সরাসরি আইন ভঙ্গ করা। এর জন্য পেনাল্টি আছে, সাথে আছে না দেওয়া সময়ের জন্য সেই টাকার ইন্টারেস্ট দেওয়ার বাধ্যবাধকতা। কিন্তু গ্রামীণফোনের কর্মীরা সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে বছরের পর বছর। পনেরো বছরেরও বেশি সময় ধরে আদালতের খেলায়, কর্পোরেট প্রভাবে আর রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় আটকে রাখা হয়েছে তাদের ন্যায্য পাওনা। আর যখন কর্মীরা সেই অধিকার চাইতে রাস্তায় দাঁড়িয়েছে— তখন তাদের ওপর নেমে এসেছে নির্মম দমনপীড়ন। পুলিশের লাঠি, রাস্তায় টেনে হিঁচড়ে নেওয়া, নারী কর্মীদের পর্যন্ত অমানবিকভাবে গ্রেফতার। যে কোম্পানি একসময় মানুষের স্বপ্নের প্রতীক ছিল, আজ সেই কোম্পানিই কর্মীদের ন্যায্য প্রাপ্য কেড়ে নিচ্ছে, আইন ভঙ্গ করছে, আর প্রতিবাদের জবাবে দিচ্ছে ভয়, লাঠি আর গ্রেফতার। সাথে বোনাস হিসেবে মিথ্যা মামলা, একটা কর্পোরেট মাস্তানী! আজ দেশের মানুষ নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে। প্রফেসর ইউনূস দেশের হাল ধরেছেন, হাসিনা আমলের দুঃশাসনের পর তিনি এসেছেন মানুষের পাশে দাঁড়াতে। গ্রামীণ ব্যাংকের জটিলতাও দ্রুত কেটে গেছে, অনেক সমস্যা মিটেছে— আমরা খুশি, কারণ আমরা জানি, তিনি নিজে কতটা কষ্ট সহ্য করেছেন আগের সরকারে আমলে। কিন্তু এখনো একটি বেদনার জায়গা রয়ে গেছে— গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মীরা তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। আইনে নিশ্চিত ৫% প্রফিট শেয়ার তারা পাচ্ছেন না। বছরের পর বছর কষ্ট, বেকারত্ব, অপমান—তাদের জীবনে নিত্যসঙ্গী হয়ে আছে। কেউ কেউ ফিসফিস করে বলে— হয়তো প্রফেসর ইউনূস জানেন, কিংবা তাঁর অনুমতি আছে এই অন্যায়ের পেছনে। কিন্তু আমরা সেটা বিশ্বাস করতে চাই না। কারণ আমরা বিশ্বাস করতে চাই— যিনি নিজে অন্যায়ের শিকার হয়েছেন, তিনি অন্যায়ের পাশে কখনো দাঁড়াতে পারেন না। আমাদের ভরসা এখনো তাঁর ওপরই। আমরা জানি, তিনি সত্য জানলে নিশ্চয়ই চুপ করে থাকবেন না। তিনি ন্যায়বিচার করবেন। ফিরিয়ে দেবেন সেই প্রাক্তন গ্রামীণফোন কর্মীদের অধিকার, যাদের একমাত্র আশা— গ্রামীণফোনের কাছে জমে থাকা ৫% প্রফিট শেয়ারের টাকা। টেলিনর ও গ্রামীণফোনের যৌথ প্রযোজনায় যে অন্যায়ের নাটক চলছে, এর এখনই পরিসমাপ্তি দরকার! আইনে নিশ্চিত ৫% প্রফিট শেয়ারের টাকা দেওয়ার উদ্যোগ নিন! নইলে এই টাকা গলে গলে নরওয়েতেই চলে যাবে। কিন্তু যদি এই ন্যায্য পাওনাটা প্রাক্তন কর্মীরা হাতে পান— তাহলে এই টাকা দেশেই থাকবে। হয়তো অনেক প্রাক্তন কর্মী মিলে সেই টাকা দিয়ে নতুন সম্ভাবনায় বিনিয়োগ করবে। নতুন কর্মসংস্থান হবে। দেশের অর্থনীতিতে নতুন প্রাণ আসবে। মনে রাখা দরকার—এই কর্মীরাই গ্রামীণফোনকে আজকের গ্রামীনফোন বানিয়েছে। আজ সময় এসেছে এদের প্রতি সুবিচার করার! কারণ এরা আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারে। এরা একেকজন পরীক্ষিত কর্মী— দেশ এদের ওপর নির্ভর করতে পারে। এরা আন্দোলন করে আপনার অফিস ঘেরাও করতে পারবে না, ভাঙচুর করে দাবী আদায়ের দক্ষতাও এদের নাই, নেই কোনো পেশিশক্তি। কিন্তু এদের হাতে যদি ন্যায্য পাওনাটা তুলে দেন— তাহলে এরা বাংলাদেশকে বদলে দেবে, গড়ে তুলবে স্বপ্নের বাংলাদেশ। এ কারণেই আমরা একটি পিটিশন শুরু করেছি। ইতিমধ্যেই ৫,০০০-এর বেশি মানুষ এই দাবিতে স্বাক্ষর করেছেন। এটা প্রমাণ করে, শুধু প্রাক্তন কর্মীরাই নয়— বাংলাদেশের সাধারণ মানুষও এই আন্দোলনের পাশে দাঁড়িয়েছে। 🔗 https://www.change.org/JusticeForGPWorkers আজ যারা অবহেলিত, বেকার, অপমানিত- তাদের হাতে যদি সেই ন্যায্য পাওনাটা তুলে দেওয়া হয়, তাহলে তারাই আবার বাংলাদেশকে বদলে দেবে! ট্রাস্ট মি! আমরাই বদলে দিব! #JusticeForGPWorkers #PayThe5Percent #WorkersRightsBD #StopPoliceBrutalityBD #TelenorResponsibility Chief Adviser GOB Muhammad Yunus Elias Hossain Ashif Entaz Rabi Zonayed Saki-জোনায়েদ সাকি Farid Uddin Ahmed dr.kanak sarwar -ড.কনক সরওয়ার The Business Standard Hasnat Abdullah Financial Times জার্নি ফ্রম গ্রামীনফোন টু আমাজন Shafiqul Alam Tarique Rahman Daily Amar Desh Shahed M Ali Arif R Hossa
Soutenir maintenant
Signez cette pétition
Copier le lien
Facebook
WhatsApp
X
E-mail