

JusticeForGPWorkers: আমাদের ন্যায্য পাওনার লড়াইয়ে পাশে থাকুন
আমরা ছিলাম সেই মানুষগুলো—হাত দিয়ে কাজ করেছি, মন দিয়ে গড়েছি—যাদের শ্রমে গ্রামীণফোন দাঁড়িয়েছে।
আজ আমরা শাস্তি পাচ্ছি, শুধু আমাদের আইনি প্রাপ্য চাইবার জন্য।
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ঢাকার জিপি হাউজের সামনে শান্তিপূর্ণভাবে জড়ো হয়েছিলেন প্রাক্তন গ্রামীণফোন কর্মী ও তাঁদের পরিবার।
তাদের একটাই দাবি— বাংলাদেশের শ্রম আইনে নিশ্চিত করা ৫% লাভের অংশ।
তারা ভিক্ষা চায়নি, তারা প্রাপ্যটা চেয়েছে।
কিন্তু জবাব এসেছে লাঠিচার্জে।
গ্রামীণফোন নিজেরাই পুলিশ ডাকে।
আর পুলিশ তাদের পিটায়, টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যায়, গ্রেফতার করে।
সেই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।
দেশ দেখেছে। এখন সময়, বিশ্ব জানুক।
এই আন্দোলনের মুখ হয়ে উঠেছেন সুফিনাজ বাশিতা নীতি, যিনি পুলিশের হাতে টানা-হেঁচড়া হয়ে গ্রেফতার হন—সেই ছবিটা এখন প্রতীক হয়ে গেছে।
কিন্তু যা দেখা যায়নি, সেটা আরও কষ্টের—
নীতি ও তাঁর স্বামী দুজনেই হৃদরোগে ভুগছেন।
এই ধরণের মানসিক ও শারীরিক আঘাত তাঁদের জন্য জীবনহানির ঝুঁকি তৈরি করেছে।
এইটা শুধু একটা দাবি না—
এটা মানুষের জীবন, সম্মান আর ন্যায়ের প্রশ্ন।
এই অন্যায়ের পিছনে কারা?
গ্রামীণফোনের মালিকানা আছে টেলিনর গ্রুপের হাতে,
আর টেলিনর মালিকানাধীন নরওয়ে সরকারের।
অর্থাৎ, এই বর্বরতা একটা উন্নত দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানির তত্ত্বাবধানে হয়েছে।
নরওয়ে কি মানবাধিকারের কথা বলে?
তাহলে তাদের কোম্পানি অন্য দেশে এভাবে শ্রমিকদের ওপর হামলা করে কীভাবে?
আমি কে?
আমার নাম আনোয়ার এম হোসেন।
১৯৯৭ সালে গ্রামীণফোনে জয়েন করেছিলাম। ১৭ বছর দিয়েছি এই কোম্পানিকে।
আজ যাদের উপর হামলা হয়েছে—তারা আমার সহকর্মী, আমার পরিবারের মতো।
এই ঘটনার পরে আমি একটা আন্তর্জাতিক পিটিশন চালু করেছি।
ইতোমধ্যে ২,০০০+ মানুষ সাইন করেছেন।
পিটিশন লিংক: change.org/JusticeForGPWorkers
কিন্তু শুধু সই দিয়ে হবে না।
এই লড়াই চালিয়ে যেতে এখন দরকার আপনাদের সহযোগিতা।
ডোনেশন লিংক: gofund.me/274511ee
ফান্ড দিয়ে কী কী করবো?
-নীতি ও গ্রেফতার হওয়া অন্যদের আইনি সহায়তা
-যাঁরা অসুস্থ, তাঁদের চিকিৎসা ও আর্থিক সাহায্য
-ভিডিও, পডকাস্ট, সোশ্যাল কনটেন্ট—এই সত্যটা সবার সামনে তুলে ধরার জন্য
-ক্যাম্পেইনের জন্য যা যা দরকার—ট্রান্সপোর্ট, অনুবাদ, প্রযুক্তি
-আন্তর্জাতিক মিডিয়া ও নরওয়ের জনগণের কাছে এই ঘটনা পৌঁছে দেওয়া
এটা শুধু টাকা তোলার ক্যাম্পেইন না—
এটা একটা অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সুযোগ।
আপনার $৫ বা $৫০—যাই হোক না কেন, এই লড়াইয়ে তা বড় সহায়তা।
ডোনেট করতে না পারলে?
তাহলে অন্তত শেয়ার করুন।
যাঁরা শ্রমিক অধিকার নিয়ে কাজ করেন
নরওয়ের মানুষ, সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মীরা
আপনার পরিচিতরা—যাঁরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে ভয় পান না
স্বচ্ছতার প্রতিশ্রুতি
ফান্ডটা আমি নিজে—আনোয়ার এম হোসেন—পরিচালনা করবো।
আপডেট ও হিসাব নিয়মিত পাবেন এখানেই এবং পিটিশনের মাধ্যমে।
আমরা শুধু টাকা চাই না।
আমরা চাই ন্যায়বিচার, জবাবদিহি আর সম্মান।
ঢাকা থেকে অসলো—আপনি পাশে থাকুন।
এই লড়াই আমাদের সবার।
Anwar M Hossain
Petition & Fundraising Initiator
City of Brotherly Love (Philadelphia)