

দেশনায়ক কে অপমানে দুঃখপ্রকাশ যথেষ্ট নয়; অনন্তর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারের দাবি
The Issue
দেশনায়ক নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ও আজাদ হিন্দ ফৌজকে নিয়ে অনন্ত মহারাজ ওরফে নগেন রায়ের বিতর্কিত মন্তব্যের পর তীব্র প্রতিবাদ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে সোশ্যাল মিডিয়া তে যারা নেতাজি কে নিয়ে অবমাননাকর পোস্ট করেছিল পুলিশ তাদের গ্রেফতার করেছে এবং নগেন এর বঙ্গবিভূষণ সম্মানও প্রত্যাহার করেছে রাজ্য সরকার। পরে দুঃখপ্রকাশ করেছে মাত্র নগেন। কিন্তু প্রশ্ন একটাই, কোনও জাতীয় বীরকে অপমানজনক মন্তব্য করার অভিযোগ উঠলে শুধু দুঃখপ্রকাশ করলেই কি বিষয়টি শেষ হয়ে যাবে? আইন সবার জন্য সমান। তাই অভিযোগগুলির নিরপেক্ষ তদন্ত হোক এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
দাবি: অনন্ত মহারাজের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে গ্রেপ্তারের দাবি জানাই।
১. অনন্ত মহারাজের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া অভিযোগ ও FIR-এর নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও দ্রুত তদন্ত করতে হবে।
২. নেতাজিকে “দেশদ্রোহী” ও “War Criminal” বলা এবং তাঁর স্বাধীনতা সংগ্রাম ও INA-এর ভূমিকা খাটো করার বক্তব্যের আইনগত ও তথ্যগত ভিত্তি তদন্ত করতে হবে।
৩. কোচবিহারের মহারাজা বা নারায়ণী সেনার হাতে নেতাজির হত্যার মতো কোনও দাবি করা হয়ে থাকলে তার প্রামাণ্য ভিত্তি প্রকাশ্যে যাচাই করতে হবে।
৪. তদন্তে প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী গ্রেপ্তার ও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
৫. কোনও সাংসদ, রাজনৈতিক নেতা বা ধর্মীয় নেতা যেন আইনের ঊর্ধ্বে না থাকেন, তা নিশ্চিত করতে হবে।
দুঃখপ্রকাশ একটি পৃথক বিষয়; তা কোনও অভিযোগের স্বয়ংক্রিয় আইনগত নিষ্পত্তি নয়।
নেতাজির সম্মান রক্ষা কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রতিহিংসা নয়, এটি সত্য ইতিহাস, ন্যায়বিচার এবং আইনের শাসনের পক্ষে দাঁড়ানো। যে মানুষটি ভারতের স্বাধীনতার জন্য নিজের পুরো জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, তাঁকে “দেশদ্রোহী” এবং “War Criminal” বলা হলো!!! আর সে দুঃখ প্রকাশ করে পার পেয়ে হবে ?? এতে সমাজে কি সঠিক বার্তা যাবে ?
দুঃখ প্রকাশে বিষয় মিটে যায় না। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা চাই। অপরাধ প্রমাণিত হলে গ্রেপ্তার চাই।
জয় হিন্দ।
বন্দে মাতরম্।

132
The Issue
দেশনায়ক নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ও আজাদ হিন্দ ফৌজকে নিয়ে অনন্ত মহারাজ ওরফে নগেন রায়ের বিতর্কিত মন্তব্যের পর তীব্র প্রতিবাদ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে সোশ্যাল মিডিয়া তে যারা নেতাজি কে নিয়ে অবমাননাকর পোস্ট করেছিল পুলিশ তাদের গ্রেফতার করেছে এবং নগেন এর বঙ্গবিভূষণ সম্মানও প্রত্যাহার করেছে রাজ্য সরকার। পরে দুঃখপ্রকাশ করেছে মাত্র নগেন। কিন্তু প্রশ্ন একটাই, কোনও জাতীয় বীরকে অপমানজনক মন্তব্য করার অভিযোগ উঠলে শুধু দুঃখপ্রকাশ করলেই কি বিষয়টি শেষ হয়ে যাবে? আইন সবার জন্য সমান। তাই অভিযোগগুলির নিরপেক্ষ তদন্ত হোক এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
দাবি: অনন্ত মহারাজের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে গ্রেপ্তারের দাবি জানাই।
১. অনন্ত মহারাজের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া অভিযোগ ও FIR-এর নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও দ্রুত তদন্ত করতে হবে।
২. নেতাজিকে “দেশদ্রোহী” ও “War Criminal” বলা এবং তাঁর স্বাধীনতা সংগ্রাম ও INA-এর ভূমিকা খাটো করার বক্তব্যের আইনগত ও তথ্যগত ভিত্তি তদন্ত করতে হবে।
৩. কোচবিহারের মহারাজা বা নারায়ণী সেনার হাতে নেতাজির হত্যার মতো কোনও দাবি করা হয়ে থাকলে তার প্রামাণ্য ভিত্তি প্রকাশ্যে যাচাই করতে হবে।
৪. তদন্তে প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী গ্রেপ্তার ও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
৫. কোনও সাংসদ, রাজনৈতিক নেতা বা ধর্মীয় নেতা যেন আইনের ঊর্ধ্বে না থাকেন, তা নিশ্চিত করতে হবে।
দুঃখপ্রকাশ একটি পৃথক বিষয়; তা কোনও অভিযোগের স্বয়ংক্রিয় আইনগত নিষ্পত্তি নয়।
নেতাজির সম্মান রক্ষা কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রতিহিংসা নয়, এটি সত্য ইতিহাস, ন্যায়বিচার এবং আইনের শাসনের পক্ষে দাঁড়ানো। যে মানুষটি ভারতের স্বাধীনতার জন্য নিজের পুরো জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, তাঁকে “দেশদ্রোহী” এবং “War Criminal” বলা হলো!!! আর সে দুঃখ প্রকাশ করে পার পেয়ে হবে ?? এতে সমাজে কি সঠিক বার্তা যাবে ?
দুঃখ প্রকাশে বিষয় মিটে যায় না। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা চাই। অপরাধ প্রমাণিত হলে গ্রেপ্তার চাই।
জয় হিন্দ।
বন্দে মাতরম্।

The Decision Makers
Petition Updates
Share this petition
Petition created on 14 August 2026