
Investigate executions and protect Bangladeshi migrant workers abroad
The Issue
Growing up in a family that depended on the remittances sent home by a relative working abroad, I have always been acutely aware of the challenges faced by Bangladeshi migrant workers. They leave their homeland, their comforts, and their families to provide a better future for those they leave behind. However, the tragic and unjust execution of two Bangladeshi nationals in Saudi Arabia has reinforced the precarious position of my fellow Bangladeshi citizens working far from home.
The execution of these two individuals, despite many unanswered questions around their trials and legal representations, demands an independent and transparent investigation. This investigation should ensure that their rights to fair legal processes are upheld and that any discrepancies or violations in their cases are clearly addressed.
Moreover, this incident highlights an urgent need for stronger legal and consular support systems for all Bangladeshi expatriates. These workers contribute significantly to our economy through their remittances, yet they remain vulnerable to harsh conditions, legal systems that provide inadequate protection, and, sometimes, dire consequences as illustrated in this case.
Request for an Independent Investigation
We respectfully request that the relevant authorities establish:
Arrest and detention: When were the individuals arrested, what charges were brought, and where were they detained?
Legal representation: Were they permitted meaningful access to qualified legal counsel throughout the investigation, trial, appeal, and final proceedings?
Language assistance: Were competent interpreters provided when necessary, and did the accused fully understand the allegations and proceedings?
Consular rights: Were they informed without delay of their rights under Article 36 of the Vienna Convention on Consular Relations? Did either request notification of the Bangladesh diplomatic mission, and was any such request fulfilled?
Consular communication: Did Saudi authorities communicate with Bangladesh's diplomatic mission at any stage before or after the executions?
Family notification: Were the families informed about the arrests, criminal proceedings, sentences, and executions?
Judicial records: Can the relevant judgments, appellate decisions, and procedural records be made available for an independent legal assessment, subject to appropriate confidentiality protections?
Death notification: Was the relevant Bangladesh consular post notified without delay following the deaths, as contemplated by Article 37(a) of the Vienna Convention?
Where violations are established, we request that appropriate legal and diplomatic remedies be considered.
Every year, thousands of Bangladeshi workers emigrate to the Middle East, seeking better livelihoods. According to the Bureau of Manpower Employment and Training (BMET), over 1 million Bangladeshi workers went abroad in 2022 alone, many of them heading to the Gulf state region. Despite their significant contributions, these workers often face exploitation, abuse, and inadequate legal protection. Comprehensive, enforceable measures must be put in place to prevent such injustices from occurring.
We demand that the Bangladeshi government take concrete steps in negotiating international labor agreements that assure humane working conditions, fair wages, and robust legal protections for these overseas workers. Additionally, the government must bolster the capacity of their consular services to provide timely and effective assistance when our nationals are in distress.
This is not solely an issue of law, but of human dignity, of justice, and of ensuring a safer future for all Bangladeshi citizens working abroad. Stand with me in urging our authorities to act now – because our workers deserve safety, respect, and the fundamental rights afforded to everyone, regardless of where they work. Please join my call for justice and enhanced protections by signing this petition. Together, we can make a difference.
in Bangla :
বিষয়: সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত এবং বিশ্বব্যাপী প্রবাসী বাংলাদেশিদের আইনগত ও কনস্যুলার সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি।
আমরা, নিম্নস্বাক্ষরকারী বাংলাদেশি নাগরিক, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ব্যক্তিবর্গ, গভীর উদ্বেগের সঙ্গে সৌদি আরবে ১৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনার স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করছি।
প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, নাজেরুল ইসলাম আবদুল বাসির এবং সিতি আখতার নামের দুই বাংলাদেশি নাগরিককে মক্কার একটি মসজিদের ভেতরে কথিত অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে সৌদি আদালত মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে এবং পরবর্তী সময়ে সেই দণ্ড কার্যকর করা হয়।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে বাংলাদেশ সরকার কিংবা সৌদি আরবে অবস্থিত বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশনকে বিষয়টি জানানো হয়নি।
এই ঘটনা কয়েকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তিরা কি আত্মপক্ষ সমর্থনের যথাযথ সুযোগ পেয়েছিলেন? তাঁদের কি আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল? তাঁরা কি বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগের অধিকার সম্পর্কে অবগত ছিলেন? তাঁদের পরিবার কি বিচার ও মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে যথাসময়ে জানতে পেরেছিল?
আমরা সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব, আইন ও বিচারব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তবে কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য আন্তর্জাতিক চুক্তি ও ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতিমালা অনুসরণ করা প্রয়োজন।
আমাদের উদ্দেশ্য কোনো কথিত অপরাধকে সমর্থন করা নয়। আমাদের উদ্দেশ্য হলো, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাঁদের প্রাপ্য আইনগত ও কনস্যুলার অধিকার পেয়েছিলেন কি না, তা নিশ্চিত করা।
প্রথম অংশ: দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত
আমরা বাংলাদেশ ও সৌদি আরব সরকারের কাছে নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর সঠিক তথ্য ও ব্যাখ্যা দাবি করছি।
১. গ্রেপ্তার ও অভিযোগের বিবরণ
দুই বাংলাদেশি নাগরিককে কবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, তাঁদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কী অভিযোগ আনা হয়েছিল এবং তাঁরা কোথায় আটক ছিলেন—এসব তথ্য প্রকাশ করা হোক।
২. আইনজীবী নিয়োগ ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ
তাঁরা কি তদন্ত, বিচার এবং আপিলের বিভিন্ন পর্যায়ে যোগ্য আইনজীবীর সহায়তা পেয়েছিলেন?
তাঁদের কি আত্মপক্ষ সমর্থন এবং অভিযোগের প্রমাণ চ্যালেঞ্জ করার কার্যকর সুযোগ দেওয়া হয়েছিল?
৩. ভাষাগত সহায়তা
বিচারপ্রক্রিয়া বুঝতে প্রয়োজন হলে তাঁদের কি উপযুক্ত দোভাষীর সহায়তা দেওয়া হয়েছিল?
৪. ভিয়েনা কনভেনশনের ৩৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অধিকার
গ্রেপ্তারের পর তাঁদের কি বিলম্ব ছাড়াই বাংলাদেশ দূতাবাস বা কনস্যুলেটের সঙ্গে যোগাযোগের অধিকার সম্পর্কে জানানো হয়েছিল?
তাঁরা কি কনস্যুলার কর্তৃপক্ষকে জানানোর অনুরোধ করেছিলেন? করে থাকলে সেই অনুরোধ কি যথাসময়ে পূরণ করা হয়েছিল?
৫. বাংলাদেশ দূতাবাসের ভূমিকা
বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন কি গ্রেপ্তার, বিচার, আপিল অথবা মৃত্যুদণ্ড সম্পর্কে কোনো পর্যায়ে তথ্য পেয়েছিল?
তথ্য পেয়ে থাকলে কী ধরনের আইনগত বা কনস্যুলার সহায়তা প্রদান করা হয়েছিল?
৬. পরিবারের অধিকার ও মানবিক সহায়তা
দুই ব্যক্তির পরিবারকে কি গ্রেপ্তার, বিচার ও মৃত্যুদণ্ড সম্পর্কে জানানো হয়েছিল?
পরিবারগুলোকে প্রয়োজনীয় সরকারি তথ্য, মরদেহ বা দাফনসংক্রান্ত বিবরণ এবং উপযুক্ত মানবিক সহায়তা দেওয়া হোক।
৭. বিচারিক নথিপত্র পর্যালোচনা
সংশ্লিষ্ট আদালতের রায়, আপিলের সিদ্ধান্ত এবং বিচারিক কার্যক্রমের প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপযুক্ত গোপনীয়তা বজায় রেখে স্বাধীন আইন বিশেষজ্ঞদের পর্যালোচনার সুযোগ দেওয়া হোক।
৮. মৃত্যুর পর কনস্যুলার অবহিতকরণ
ভিয়েনা কনভেনশনের ৩৭(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মৃত্যুর পর সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ কনস্যুলেটকে বিলম্ব ছাড়াই অবহিত করা হয়েছিল কি না, তা তদন্ত করা হোক।
তদন্তে কোনো আইনগত বা আন্তর্জাতিক চুক্তির লঙ্ঘন প্রমাণিত হলে যথাযথ আইনগত ও কূটনৈতিক প্রতিকার গ্রহণ করা হোক।
দ্বিতীয় অংশ: বিশ্বব্যাপী প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্থায়ী আইনগত সুরক্ষা
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিকরা ভাষাগত সীমাবদ্ধতা, আর্থিক অসচ্ছলতা এবং স্থানীয় আইন সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা না থাকার কারণে গুরুতর সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন।
এ কারণে আমরা বাংলাদেশ সরকারের কাছে নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন জানাচ্ছি।
১. ২৪ ঘণ্টার জরুরি কনস্যুলার সহায়তা
বিদেশে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক গ্রেপ্তার বা আটক হলে জরুরি সহায়তা পাওয়ার জন্য কার্যকর যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।
২. প্রবাসী আইনগত সহায়তা তহবিল
আর্থিকভাবে অসচ্ছল প্রবাসী বাংলাদেশিদের গুরুতর ফৌজদারি মামলায় আইনগত সহায়তার জন্য একটি বিশেষ তহবিল বা সমতুল্য কর্মসূচি চালু করতে হবে।
৩. আইনজীবী ও দোভাষীর সহায়তা
প্রয়োজন অনুযায়ী স্থানীয় যোগ্য আইনজীবী এবং ভাষাগত সহায়তা পাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
৪. আটক ব্যক্তিদের তথ্য ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা
বিদেশে বাংলাদেশি নাগরিকদের গ্রেপ্তার, আটক ও বিচারসংক্রান্ত প্রাপ্ত তথ্য সংরক্ষণ এবং নিয়মিত অনুসরণের জন্য একটি কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।
৫. দ্বিপক্ষীয় কূটনৈতিক সহযোগিতা
সৌদি আরবসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে কনস্যুলার যোগাযোগ, আইনগত সহায়তা এবং পরিবারের কাছে তথ্য পৌঁছানোর বিষয়ে অতিরিক্ত সমঝোতা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিতে হবে।
৬. মৃত্যুদণ্ডের মামলায় জরুরি কূটনৈতিক ব্যবস্থা
বিদেশে কোনো বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড চূড়ান্ত হলে আইনসম্মত সীমার মধ্যে যথাসময়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ, আইনগত পর্যালোচনা এবং মানবিক আবেদন করার ব্যবস্থা থাকতে হবে।
৭. দূতাবাসের জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা
বিদেশে আটক বাংলাদেশিদের সহায়তায় দূতাবাস ও কনস্যুলেটের গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা বজায় রেখে নিয়মিত প্রতিবেদন প্রকাশ করতে হবে।
তৃতীয় অংশ: আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তি
আমাদের এই আবেদনের অন্যতম ভিত্তি হলো ১৯৬৩ সালের কনস্যুলার সম্পর্কবিষয়ক ভিয়েনা কনভেনশন।
অনুচ্ছেদ ৩৬:
কোনো বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার বা আটক করা হলে তাঁকে বিলম্ব ছাড়াই কনস্যুলার যোগাযোগের অধিকার সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।
আটক ব্যক্তি অনুরোধ করলে সংশ্লিষ্ট কনস্যুলেটকে বিলম্ব ছাড়াই জানাতে হবে। কনস্যুলার কর্মকর্তারা আটক নাগরিকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে এবং আইনগত প্রতিনিধিত্বের ব্যবস্থা করতে পারেন।
অনুচ্ছেদ ৩৭(ক):
কোনো বিদেশি নাগরিকের মৃত্যু হলে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য থাকলে, যে কনস্যুলার এলাকার মধ্যে মৃত্যু ঘটেছে, সেই কনস্যুলার কার্যালয়কে বিলম্ব ছাড়াই অবহিত করতে হবে।
আমরা আরও গুরুত্ব দিচ্ছি জীবনধারণের অধিকার, ন্যায়বিচার, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিচারিক সুরক্ষার নীতিমালার ওপর।
আমাদের দাবি হলো, এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট অধিকার ও বাধ্যবাধকতাগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, তা নিরপেক্ষভাবে পরীক্ষা করা হোক।
চতুর্থ অংশ: আমাদের সম্মিলিত আবেদন
আমরা বাংলাদেশ ও সৌদি আরব সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সম্পূর্ণ ঘটনা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করার জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হোক।
বাংলাদেশ সরকারকে অনুরোধ করছি, সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোকে যথাযথ তথ্য ও সহায়তা প্রদান করা হোক এবং তদন্তের ফলাফল ও গৃহীত কূটনৈতিক পদক্ষেপ সম্পর্কে জনসাধারণকে অবহিত করা হোক।
আমরা সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোকেও যাচাইকৃত অভিযোগ ও প্রমাণের ভিত্তিতে বিষয়টি পর্যালোচনার আহ্বান জানাচ্ছি।
কোনো নাগরিকের আর্থিক অবস্থা, পেশা, অভিবাসনগত অবস্থান কিংবা তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কারণে তিনি প্রযোজ্য আইনগত ও কনস্যুলার অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে পারেন না।
আমরা সত্য উদ্ঘাটন চাই।
আমরা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি চাই।
আমরা বিশ্বব্যাপী প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য কার্যকর ও স্থায়ী আইনগত সুরক্ষা চাই।
এই উদ্যোগ সম্পূর্ণ মানবিক ও নির্দলীয়। এর সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের সংশ্লিষ্টতা নেই।

30
The Issue
Growing up in a family that depended on the remittances sent home by a relative working abroad, I have always been acutely aware of the challenges faced by Bangladeshi migrant workers. They leave their homeland, their comforts, and their families to provide a better future for those they leave behind. However, the tragic and unjust execution of two Bangladeshi nationals in Saudi Arabia has reinforced the precarious position of my fellow Bangladeshi citizens working far from home.
The execution of these two individuals, despite many unanswered questions around their trials and legal representations, demands an independent and transparent investigation. This investigation should ensure that their rights to fair legal processes are upheld and that any discrepancies or violations in their cases are clearly addressed.
Moreover, this incident highlights an urgent need for stronger legal and consular support systems for all Bangladeshi expatriates. These workers contribute significantly to our economy through their remittances, yet they remain vulnerable to harsh conditions, legal systems that provide inadequate protection, and, sometimes, dire consequences as illustrated in this case.
Request for an Independent Investigation
We respectfully request that the relevant authorities establish:
Arrest and detention: When were the individuals arrested, what charges were brought, and where were they detained?
Legal representation: Were they permitted meaningful access to qualified legal counsel throughout the investigation, trial, appeal, and final proceedings?
Language assistance: Were competent interpreters provided when necessary, and did the accused fully understand the allegations and proceedings?
Consular rights: Were they informed without delay of their rights under Article 36 of the Vienna Convention on Consular Relations? Did either request notification of the Bangladesh diplomatic mission, and was any such request fulfilled?
Consular communication: Did Saudi authorities communicate with Bangladesh's diplomatic mission at any stage before or after the executions?
Family notification: Were the families informed about the arrests, criminal proceedings, sentences, and executions?
Judicial records: Can the relevant judgments, appellate decisions, and procedural records be made available for an independent legal assessment, subject to appropriate confidentiality protections?
Death notification: Was the relevant Bangladesh consular post notified without delay following the deaths, as contemplated by Article 37(a) of the Vienna Convention?
Where violations are established, we request that appropriate legal and diplomatic remedies be considered.
Every year, thousands of Bangladeshi workers emigrate to the Middle East, seeking better livelihoods. According to the Bureau of Manpower Employment and Training (BMET), over 1 million Bangladeshi workers went abroad in 2022 alone, many of them heading to the Gulf state region. Despite their significant contributions, these workers often face exploitation, abuse, and inadequate legal protection. Comprehensive, enforceable measures must be put in place to prevent such injustices from occurring.
We demand that the Bangladeshi government take concrete steps in negotiating international labor agreements that assure humane working conditions, fair wages, and robust legal protections for these overseas workers. Additionally, the government must bolster the capacity of their consular services to provide timely and effective assistance when our nationals are in distress.
This is not solely an issue of law, but of human dignity, of justice, and of ensuring a safer future for all Bangladeshi citizens working abroad. Stand with me in urging our authorities to act now – because our workers deserve safety, respect, and the fundamental rights afforded to everyone, regardless of where they work. Please join my call for justice and enhanced protections by signing this petition. Together, we can make a difference.
in Bangla :
বিষয়: সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত এবং বিশ্বব্যাপী প্রবাসী বাংলাদেশিদের আইনগত ও কনস্যুলার সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি।
আমরা, নিম্নস্বাক্ষরকারী বাংলাদেশি নাগরিক, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ব্যক্তিবর্গ, গভীর উদ্বেগের সঙ্গে সৌদি আরবে ১৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনার স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করছি।
প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, নাজেরুল ইসলাম আবদুল বাসির এবং সিতি আখতার নামের দুই বাংলাদেশি নাগরিককে মক্কার একটি মসজিদের ভেতরে কথিত অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে সৌদি আদালত মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে এবং পরবর্তী সময়ে সেই দণ্ড কার্যকর করা হয়।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে বাংলাদেশ সরকার কিংবা সৌদি আরবে অবস্থিত বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশনকে বিষয়টি জানানো হয়নি।
এই ঘটনা কয়েকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তিরা কি আত্মপক্ষ সমর্থনের যথাযথ সুযোগ পেয়েছিলেন? তাঁদের কি আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল? তাঁরা কি বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগের অধিকার সম্পর্কে অবগত ছিলেন? তাঁদের পরিবার কি বিচার ও মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে যথাসময়ে জানতে পেরেছিল?
আমরা সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব, আইন ও বিচারব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তবে কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য আন্তর্জাতিক চুক্তি ও ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতিমালা অনুসরণ করা প্রয়োজন।
আমাদের উদ্দেশ্য কোনো কথিত অপরাধকে সমর্থন করা নয়। আমাদের উদ্দেশ্য হলো, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাঁদের প্রাপ্য আইনগত ও কনস্যুলার অধিকার পেয়েছিলেন কি না, তা নিশ্চিত করা।
প্রথম অংশ: দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত
আমরা বাংলাদেশ ও সৌদি আরব সরকারের কাছে নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর সঠিক তথ্য ও ব্যাখ্যা দাবি করছি।
১. গ্রেপ্তার ও অভিযোগের বিবরণ
দুই বাংলাদেশি নাগরিককে কবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, তাঁদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কী অভিযোগ আনা হয়েছিল এবং তাঁরা কোথায় আটক ছিলেন—এসব তথ্য প্রকাশ করা হোক।
২. আইনজীবী নিয়োগ ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ
তাঁরা কি তদন্ত, বিচার এবং আপিলের বিভিন্ন পর্যায়ে যোগ্য আইনজীবীর সহায়তা পেয়েছিলেন?
তাঁদের কি আত্মপক্ষ সমর্থন এবং অভিযোগের প্রমাণ চ্যালেঞ্জ করার কার্যকর সুযোগ দেওয়া হয়েছিল?
৩. ভাষাগত সহায়তা
বিচারপ্রক্রিয়া বুঝতে প্রয়োজন হলে তাঁদের কি উপযুক্ত দোভাষীর সহায়তা দেওয়া হয়েছিল?
৪. ভিয়েনা কনভেনশনের ৩৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অধিকার
গ্রেপ্তারের পর তাঁদের কি বিলম্ব ছাড়াই বাংলাদেশ দূতাবাস বা কনস্যুলেটের সঙ্গে যোগাযোগের অধিকার সম্পর্কে জানানো হয়েছিল?
তাঁরা কি কনস্যুলার কর্তৃপক্ষকে জানানোর অনুরোধ করেছিলেন? করে থাকলে সেই অনুরোধ কি যথাসময়ে পূরণ করা হয়েছিল?
৫. বাংলাদেশ দূতাবাসের ভূমিকা
বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন কি গ্রেপ্তার, বিচার, আপিল অথবা মৃত্যুদণ্ড সম্পর্কে কোনো পর্যায়ে তথ্য পেয়েছিল?
তথ্য পেয়ে থাকলে কী ধরনের আইনগত বা কনস্যুলার সহায়তা প্রদান করা হয়েছিল?
৬. পরিবারের অধিকার ও মানবিক সহায়তা
দুই ব্যক্তির পরিবারকে কি গ্রেপ্তার, বিচার ও মৃত্যুদণ্ড সম্পর্কে জানানো হয়েছিল?
পরিবারগুলোকে প্রয়োজনীয় সরকারি তথ্য, মরদেহ বা দাফনসংক্রান্ত বিবরণ এবং উপযুক্ত মানবিক সহায়তা দেওয়া হোক।
৭. বিচারিক নথিপত্র পর্যালোচনা
সংশ্লিষ্ট আদালতের রায়, আপিলের সিদ্ধান্ত এবং বিচারিক কার্যক্রমের প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপযুক্ত গোপনীয়তা বজায় রেখে স্বাধীন আইন বিশেষজ্ঞদের পর্যালোচনার সুযোগ দেওয়া হোক।
৮. মৃত্যুর পর কনস্যুলার অবহিতকরণ
ভিয়েনা কনভেনশনের ৩৭(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মৃত্যুর পর সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ কনস্যুলেটকে বিলম্ব ছাড়াই অবহিত করা হয়েছিল কি না, তা তদন্ত করা হোক।
তদন্তে কোনো আইনগত বা আন্তর্জাতিক চুক্তির লঙ্ঘন প্রমাণিত হলে যথাযথ আইনগত ও কূটনৈতিক প্রতিকার গ্রহণ করা হোক।
দ্বিতীয় অংশ: বিশ্বব্যাপী প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্থায়ী আইনগত সুরক্ষা
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিকরা ভাষাগত সীমাবদ্ধতা, আর্থিক অসচ্ছলতা এবং স্থানীয় আইন সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা না থাকার কারণে গুরুতর সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন।
এ কারণে আমরা বাংলাদেশ সরকারের কাছে নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন জানাচ্ছি।
১. ২৪ ঘণ্টার জরুরি কনস্যুলার সহায়তা
বিদেশে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক গ্রেপ্তার বা আটক হলে জরুরি সহায়তা পাওয়ার জন্য কার্যকর যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।
২. প্রবাসী আইনগত সহায়তা তহবিল
আর্থিকভাবে অসচ্ছল প্রবাসী বাংলাদেশিদের গুরুতর ফৌজদারি মামলায় আইনগত সহায়তার জন্য একটি বিশেষ তহবিল বা সমতুল্য কর্মসূচি চালু করতে হবে।
৩. আইনজীবী ও দোভাষীর সহায়তা
প্রয়োজন অনুযায়ী স্থানীয় যোগ্য আইনজীবী এবং ভাষাগত সহায়তা পাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
৪. আটক ব্যক্তিদের তথ্য ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা
বিদেশে বাংলাদেশি নাগরিকদের গ্রেপ্তার, আটক ও বিচারসংক্রান্ত প্রাপ্ত তথ্য সংরক্ষণ এবং নিয়মিত অনুসরণের জন্য একটি কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।
৫. দ্বিপক্ষীয় কূটনৈতিক সহযোগিতা
সৌদি আরবসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে কনস্যুলার যোগাযোগ, আইনগত সহায়তা এবং পরিবারের কাছে তথ্য পৌঁছানোর বিষয়ে অতিরিক্ত সমঝোতা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিতে হবে।
৬. মৃত্যুদণ্ডের মামলায় জরুরি কূটনৈতিক ব্যবস্থা
বিদেশে কোনো বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড চূড়ান্ত হলে আইনসম্মত সীমার মধ্যে যথাসময়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ, আইনগত পর্যালোচনা এবং মানবিক আবেদন করার ব্যবস্থা থাকতে হবে।
৭. দূতাবাসের জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা
বিদেশে আটক বাংলাদেশিদের সহায়তায় দূতাবাস ও কনস্যুলেটের গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা বজায় রেখে নিয়মিত প্রতিবেদন প্রকাশ করতে হবে।
তৃতীয় অংশ: আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তি
আমাদের এই আবেদনের অন্যতম ভিত্তি হলো ১৯৬৩ সালের কনস্যুলার সম্পর্কবিষয়ক ভিয়েনা কনভেনশন।
অনুচ্ছেদ ৩৬:
কোনো বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার বা আটক করা হলে তাঁকে বিলম্ব ছাড়াই কনস্যুলার যোগাযোগের অধিকার সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।
আটক ব্যক্তি অনুরোধ করলে সংশ্লিষ্ট কনস্যুলেটকে বিলম্ব ছাড়াই জানাতে হবে। কনস্যুলার কর্মকর্তারা আটক নাগরিকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে এবং আইনগত প্রতিনিধিত্বের ব্যবস্থা করতে পারেন।
অনুচ্ছেদ ৩৭(ক):
কোনো বিদেশি নাগরিকের মৃত্যু হলে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য থাকলে, যে কনস্যুলার এলাকার মধ্যে মৃত্যু ঘটেছে, সেই কনস্যুলার কার্যালয়কে বিলম্ব ছাড়াই অবহিত করতে হবে।
আমরা আরও গুরুত্ব দিচ্ছি জীবনধারণের অধিকার, ন্যায়বিচার, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিচারিক সুরক্ষার নীতিমালার ওপর।
আমাদের দাবি হলো, এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট অধিকার ও বাধ্যবাধকতাগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, তা নিরপেক্ষভাবে পরীক্ষা করা হোক।
চতুর্থ অংশ: আমাদের সম্মিলিত আবেদন
আমরা বাংলাদেশ ও সৌদি আরব সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সম্পূর্ণ ঘটনা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করার জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হোক।
বাংলাদেশ সরকারকে অনুরোধ করছি, সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোকে যথাযথ তথ্য ও সহায়তা প্রদান করা হোক এবং তদন্তের ফলাফল ও গৃহীত কূটনৈতিক পদক্ষেপ সম্পর্কে জনসাধারণকে অবহিত করা হোক।
আমরা সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোকেও যাচাইকৃত অভিযোগ ও প্রমাণের ভিত্তিতে বিষয়টি পর্যালোচনার আহ্বান জানাচ্ছি।
কোনো নাগরিকের আর্থিক অবস্থা, পেশা, অভিবাসনগত অবস্থান কিংবা তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কারণে তিনি প্রযোজ্য আইনগত ও কনস্যুলার অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে পারেন না।
আমরা সত্য উদ্ঘাটন চাই।
আমরা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি চাই।
আমরা বিশ্বব্যাপী প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য কার্যকর ও স্থায়ী আইনগত সুরক্ষা চাই।
এই উদ্যোগ সম্পূর্ণ মানবিক ও নির্দলীয়। এর সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের সংশ্লিষ্টতা নেই।

Supporter Voices
Petition Updates
Share this petition
Petition created on October 17, 2026