Deploy UN peacekeeping mission in Rakhine

0 have signed. Let’s get to 200!


[English version]

British All Party Parliamentary Group refers; about 3,000 Rohingyas have been killed by newly launched ethnic cleansing since August 25. Torment of Burmese Army extremely violates all international human rights to its people who are living for centuries. Millions of people have become refugees in neighboring countries and leading miserable life. Their households and residences are being inflamed. Ethnic women are brutally raped before killing. After killing children and women; the dead bodies are thrown to the Borderline River.

In this situation, Worldwide human rights protector United Nation cannot avoid the liability only by expressing concern. Hence, to protect the people from ethnic cleansing and to establish peace it is a must to deploy UN peacekeeping forces. Along with, UN are strongly urged the following appeal in favor of peace loving and humanitarian people:

  • Ensure the entrance of international pressmen and human rights activists for the sake of neutral observation of violent regions and the condition of human rights in Rakhine State.
  • To protect humanitarian crisis in respective areas, the chance of providing relief and emergency health aid for the women, children and wounded people by humanitarian aid groups, should be enhanced.
  • As an interim management, recommendation of Anan Commission must be implemented. To save women and children and to ensure permanent citizenship of Rohingya people, UN must apply effective pressure to Myanmar.

[Bengali version]

রাখাইনে গত ২৫ আগস্ট হতে নতুন করে শুরু হওয়া জাতিগত নিধন অভিযানে এ যাবত প্রায় ৩০০০ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী নিহত হয়েছে বলে ব্রিটিশ অল পার্টি পার্লামেন্টারিয়ান গ্রুপ উল্লেখ করেছে।

সেখানে বংশ পরম্পরায় বসবাসরত জনগণের উপর বার্মা সেনাবাহিনীর নিপীড়ন সকল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার রীতির চরম লঙ্ঘন। এ যাবত লক্ষ লক্ষ মানুষ বস্তুহারা হয়ে পার্শ্ববর্তী দেশসমূহে শরনার্থী হিসেবে মানবেতর জীবন বেচে নিয়েছে। তাদের ঘর-বাড়ি ভষ্মীভূত করে দেয়া হয়েছে। নারী ও শিশুদের হত্যা করে লাশ ভাসিয়ে দেয়া হচ্ছে সীমান্তবর্তী নদীতে। হত্যা করার পূর্বে সংখ্যালঘু তরুণীদের বর্বরভাবে ধর্ষন করা হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ জাতিসংঘ কিছুতেই কেবলমাত্র উদ্বেগ প্রকাশ করে তার দায় শেষ করতে পারে না। তাই অতি সত্বর সেখানকার জনগণকে রক্ষায় এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের অধীনে শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েন ও নিন্মোক্ত ব্যবস্থাদি গ্রহণের জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের কাছে মানবতাবাদি, শান্তিবাদি মানুষের পক্ষে জোরালো আবেদন জানাচ্ছি।

  • সহিংস অঞ্চলে সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি অনুসন্ধান ও নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষণের স্বার্থে আন্তর্জাতিক সংবাদকর্মী ও মানবাধিকার কর্মীদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা।
  • সংশ্লিষ্ট এলাকায় সৃষ্ট মানবিক বিপর্যয় মোকাবেলায় নারী ও শিশুসহ আক্রান্তদের খাদ্য, বস্ত্র ও জরুরী স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে মানবিক সাহায্য সংস্থাগুলোকে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ প্রদান।
  • অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে আনান কমিশনের সুপারিশমালা বাস্তবায়ন, নারা ও শিশু অধিকার রক্ষা এবং রোহিঙ্গাদের স্থায়ী নাগরিকত্ব প্রদানে জাতিসংঘ কর্তৃক মায়ানমারকে কার্যকর চাপ প্রয়োগ করা।


Today: Islami Shasantantra Chhatra Andolan is counting on you

Islami Shasantantra Chhatra Andolan needs your help with “United Nations Security Council: Deploy UN peacekeeping mission in Rakhine”. Join Islami Shasantantra Chhatra Andolan and 190 supporters today.