Mohun Bagan club have to be corporate and must need a sponsor

0 have signed. Let’s get to 100!


কেন এই *হোক প্রতিবাদ?*

বাঙালী বরাবরই ফুটবলপ্রেমী জাতি । আর বাঙালীর ফুটবল প্রেম সবসময়ই *ঘটি বাঙাল* লড়াইকে ঘিরে অন্য মাত্রা পায় । আর *ঘটি বাঙাল* লড়াই মানেই *মোহনবাগান* বনাম *ইস্টবেঙ্গল* । নব্বইয়ের দশকে যখন এই লড়াই প্রতিটি সংবাদপত্রের ক্রীড়া বিভাগের প্রায় মশলা হয়ে দাঁড়িয়েছিল, তখনই "লিকার কিং" বিজয় মালিয়া এই দুই ক্লাবকেই স্পনসর করবে ঠিক করে । আর তৎকালীন স্পনসরশিপ্ নিয়ম মেনে দুই ক্লাবের কর্তাদের নিয়ে দুটি কোম্পানি তৈরী করা হয় এবং মালিয়ার "ইউনাইটেড ব্রুয়ারিজ" গ্রুপের দুটো কোম্পানি এই কোম্পানি দুটি কে স্পনসর করে । একটির নাম হয় *ম্যাকডোয়েল মোহনবাগান অ্যাথলেটিক ক্লাব* এবং অন্যটির নাম হয় *কিংফিশার ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাব* ।
সেইসময় সেটাই ছিল ভারতীয় ফুটবলের সবচেয়ে বড় বিপ্লব । এরপর একবিংশ শতকের প্রথম দশকের শেষ থেকে শুরু হয় "লিকার কিং" বিজয় মালিয়ার পতন । ফলে স্পনসরশিপ্ যে পরিমাণ অর্থ প্রাপ্য তার যোগানে ঘাটতি দেখা যায় । পাশাপাশি মোহনবাগান ক্লাবের দক্ষতা বাড়তে থাকে । একের পর এক ট্রফি আসতে থাকে ক্লাবে কিংবা ভালো পারফর্ম করে রানার্স হয়ে থাকে ।
এইসময় স্পনসরশিপ্ থেকে অর্থ না আসাতে, ক্লাবের দল গঠনে সমস্যা হতে থাকে, তাই পরিত্রাতা হয়ে আসে সভাপতি স্বপনসাধন বোস বা টুটু বোস । তিনি অর্থ সাহায্য করেন এবং পাশাপাশি এক আইনী লড়াইয়ে ক্লাব কে পঙ্গু স্পনসরশিপ্ মুক্ত করেন ।
কিন্তু সমস্যা এখানেই তৈরী হয়ে.......
একের পর এক নতুন স্পনসরশিপ্ আনার চেষ্টা করা হতে থাকে, কিন্তু স্পনসরশিপ্ আসে না । কারণ বর্তমান ফুটবল বিশ্বে যদি ব্যবসায়িক কোম্পানি টাকা খরচ করতে চায়, তো তারা সেখান থেকেও লাভের মুখ দেখতে চায় । কেউ আগের মতো পাড়ায় পুজো উপলক্ষে চাঁদা দিতে আগ্রহী নয় । কিন্তু এই পরিস্থিতিতে ক্লাব কর্তারাও নিজেদের স্থান ছাড়তে রাজি নন । কারণ, যেমন কোনো কোম্পানি লাভের গুঁড় খেতে চায়, তেমন কর্তারাও তো সেই গুঁড় খেয়ে আসছেন । তাই নিজের খাবারের ভাগ অন্য কাউকে তারা দেবেন না । অপরদিকে পার্শ্বস্থ ক্লাব প্রায় অনেক পরেই স্পনসরশিপ্ থেকে মুক্ত হয়েছে । কিন্তু খুব কম সময়ের মধ্যে তারা প্রায় বৈদেশিক ক্লাবগুলির মতো অনেক বেশি টাকার স্পনসরশিপ্ পেয়ে গেছে । আর অপর দিকে মোহনবাগান কর্তারা তাদের সমর্থকদের, ল্যাগার্দে, এতিহাদ, ফ্লাই এমিরেটস্, রেড চিলিজ্ এন্টারট্যানমেন্ট এর মতো কোম্পানির নাম শুনিয়ে ভুলিয়ে রাখছেন । কিন্তু প্রকৃত পক্ষে কোনো স্পনসরশিপ্ আনতে ব্যর্থ । কারণ, দীর্ঘ শারীরিক অসুস্থতার অজ্ঞাতবাস কাটিয়ে মেয়ে জামাইকে নিয়ে গদিতে ফিরেছেন, ক্লাব সচিব অঞ্জন মিত্র । একের পর এক যুক্তি আর পাল্টা যুক্তি দিয়ে ক্লাবের এক রাজনৈতিক ঠান্ডা লড়াইয়ের পরিস্থিতি তৈরি করেছেন, যুযুধান মিত্র ও বোস গোষ্ঠী । এই আগুনে ঘি ঢেলেছে, অর্থ সচিব দেবাশিস দত্ত কে ক্লাবের কোর কমিটির বৈঠকে প্রবেশ না করতে দেওয়া ।

তাই যখন ক্ষমতার নেশায় বুঁদ হয়ে কর্তারা মোহনবাগান সমর্থকদের আবেগ কে নিয়ে খেলা শুরু করে দিয়েছে, তখনই গর্জে উঠেছে সমর্থকেরা ।
কারণ সমর্থকরা চায় সুষ্ঠু, বন্ধুত্বপূর্ণ ক্লাবের পরিবেশ ।
যেখানে পরিকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি হবে আর্থিক উন্নয়ন ।
যাতে নতুন নতুন নামী দামী ফুটবলার আসে ক্লাবে । আর এই মুহূর্তে আর্থিক দিক দিয়ে ভারতের সবচেয়ে দামী লিগ "ইন্ডিয়ান সুপার লিগ" খেলতে গেলে যে পরিমাণ টাকার প্রয়োজন সেটার যোগান দেওয়াটাও সম্ভব হয় ।
পাশাপাশি তাঁরা চায় ক্লাবের পারিপার্শ্বিক উন্নয়ন ।
কিন্তু ক্লাব কর্তাদের সে সবে কোনো হুঁশ নেই ।
অগত্যা মোহনবাগান ক্লাবের মেরুদন্ড হিসাবে সমস্ত সমর্থক আজ এক জোট হয়েছে । কারণ, একটা ক্লাবের হৃৎপিণ্ড যদি হয় তার কর্মকর্তারা, তবে মেরুদন্ড অবশ্যই তাঁর "ফ্যানবেস"। আর গোটা ভারতবর্ষে সবথেকে বেশি সমর্থক আছে মোহনবাগান অ্যাথলেটিক ক্লাবের । এবং শুধুমাত্র দেশে নয়, বিদেশেও নানা প্রান্তে ছড়িয়ে আছে সবুজ মেরুন সমর্থক । তাই আজ *হোক প্রতিবাদ* অনিবার্য হয়ে উঠেছে ।
কারণ, এই মুহূর্তে বিলুপ্ত হতে চলা "আই লিগ" এর উপর সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের কোনো নজর নেই । আর ফুটবল সচিব কুশল দাস থেকে শুরু করে সভাপতি প্রফুল্ল পটেল, প্রত্যেকেই মোহনবাগান কর্তারা যে যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ করতে পারছে না, সেটা চোখে আঙ্গুল দিয়ে প্রমাণ করে গেছেন ।
তাই *হোক প্রতিবাদ* ক্লাবের স্বার্থে গ্রহণ করা কর্ম সূচী । কারণ, সমর্থকদের কোনো "লাভের গুঁড়ের" লোভ নেই । তারা নিঃস্বার্থভাবে মোহনবাগান কে ভালোবাসে । তাই সমস্ত ক্ষমতাসীন কর্তাদের *হোক প্রতিবাদ* অনুরোধ করেছে *ক্লাবের উন্নয়ন করার জন্য*, *ক্লাবের যোগ্য স্পনসরশিপ্*, *ক্লাবের অগ্রগতির জন্য* ।॥
আর যদি কর্তৃপক্ষ তাদের এই অনুরোধ কে কার্যকর না করে, তবে বৃহত্তর স্বার্থে *হোক প্রতিবাদ* চলবে ।

*হোক প্রতিবাদ*
*জয় মোহনবাগান* �❤
�������



Today: Arijit is counting on you

Arijit Mondal needs your help with “Mohun Bagan club's officials: Mohun Bagan club have to be corporate and must need a sponsor”. Join Arijit and 9 supporters today.