Pétition fermée

Nous aimons la France. Nous voulons rentrer à la maison en toute sécurité après le travail

Cette pétition avait 201 signataires


La France est le pays des droits de l’Homme où les gens de différents pays parlant différentes langues résident. Ici en France, les étrangers cohabitent avec les français comme une famille unique. Après la guerre d’indépendance de Bangladesh en 1971, des bangladais commencent à venir dans la ville de Paris du pays de l’art et de la littérature, la France. Actuellement les bangladais vivant en France sont de plus en plus nombreux, parmi ces bangladais des milliers ont obtenu la nationalité française en adoptant les valeurs de la république. Dans les bureaux administratifs, les universités, les hôpitaux, des commerces, des laboratoires, dans la recherche, les bangladais travaillent sincèrement et efficacement.

Les citoyens bangladais sont des gens paisibles et respectueux envers la loi et la justice. La vérification de casier judiciaire ou les antécédents peut prouver que le peuple bangladais est un peuple humble et respectueux envers la loi. Même au lieu de travail, les bangladais sont appréciés pour leur bonne foi et bon comportement. Récemment beaucoup de bangladais ont été victimes des attaques inquiétantes par des malfaiteurs lorsque ces derniers allaient ou rentraient du travail, notamment quand ils sont dehors. Ces malfaiteurs volent les téléphones, l’argent, etc. de ces bangladais innocents et sans défense. Ces malfaiteurs ne se contentent pas des vols, ils les persécutent physiquement, jusqu’à voir leur tirer dessus. Beaucoup de bangladais se sont retrouvés à l’hôpital suite à ces agressions. Très récemment, à Paris et des localités au nombre important des bangladais de l’ile de France, les délinquants pètent leurs agressions continuellement. A cause de la barrière de la langue et notre faible connaissance des lois françaises, la majorité des victimes n’osent pas à porter plainte à la police. En conséquence, ces délinquants ont redoublé le nombre des agressions envers nous. Dernièrement un dénommé Ruhul Amin s’est fait tiré dessus à Garges – sarcelles et s’est fait volé son téléphone portable ainsi que tout son argent. Lorsque nous avons vu la police à ce propos, cette dernière nous a rassuré d’apporter tout son soutient. Les habitants des localités fortement peuplées de bangladais se sont plaint qu’ils ont été victimes de racket par les malfaiteurs. Les victimes des agressions nous ont appris que les agresseurs sont d’origine des pays maghrébins et sub-sahariens.


D’après les statistiques, en 2016 des centaines de bangladais ont été victimes des agressions et en 2017 le nombre des agressions continue de croitre. Dans une telle situation, nous, les bangladais habitants de Paris, nous sommes également très inquiets. Il est important de préciser qu’à la suite de ces agressions, « Paris Bangla Presse Club » a pris plusieurs démarches (depuis 8 à 9 mois) de la part de la communauté bangladaise et a sollicité les autorités françaises pour protester, il continue à agir. L’année dernière lorsque le journaliste bangladais Manun a été agressé, cet organisme a crée une chaine humaine devant le ministère de l’intérieur et a déposé un mémoire. Suite à cela, le 19 mars 2017, nous avons crée une chaine humaine en rassemblant du nombreux bangladais de la région parisienne pour attirer l’attention des autorités françaises à ce sujet.

Nous savons que la France est un pays très ferme pour appliquer et respecter ses lois et ses valeurs. En France personne ne peut s’échapper après avoir commis un acte hors-la- loi. Les lois françaises ont tout notre respect et notre confiance. En gardant toute notre respect et confiance envers la Loi française, nous souhaitons avoir des renforts policiers dans toutes ces zones difficiles (Quatre Chemin de la Seine Saint-Denis, La Courneuve, Pierrefitte, Sevran, Villetaneuse, Sarcelles de Val d’Oise, Paris). Nous souhaitons obtenir votre soutient pour assurer la sécurité des bangladais qui ont été victimes des vols le soir et aussi pour baisser le nombre des infractions. Je vous demande à tous de signer cette pétition pour soutenir nos demandes.

De façon systématique, nous allons envoyer cette pétition contenant les signatures auprès des autorités françaises pour qu’elles puissent prendre des mesures appropriées contre les agressions envers les bangladais de France notamment de la région parisienne.

-----------------
Pétition en bengali

--------------------------------------------------------------------------------

মানবাধিকারের দেশ বলে পরিচিত ফ্রান্সে বিভিন্ন দেশ এবং ভাষাভাষী মানুষের অবস্থান । পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মানুষ এখানে অনেক আগে থেকেই ফরাসি মানুষের সাথে একটি পরিবারের মতন বসবাস করে আসছে । ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পরে মূলত অনেক বাংলাদেশী বিভিন্ন কারণে শিল্প এবং সাহিত্যের দেশ তথা ফ্রান্সের প্যারিসে আসতে শুরু করে । বর্তমানে ফ্রান্সে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশী থাকেন যাঁর মধ্যে ফ্রান্সকে ভালবেসে ফরাসি নাগরিকত্ব নিয়েছেন কয়েক হাজার। ফ্রান্সের বিভিন্ন অফিস-আদালত, হাসপাতাল, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান , বিশ্ববিদ্যলয় এবং গবেষণাগারে অনেক বাংলাদেশী দক্ষতার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন ।

জাতিগতভাবে আমরা বাংলাদেশিরা সবসময় শান্তিপ্রিয় এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল । আমাদের এই নম্রতা এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধার প্রমাণ পাওয়া যাবে ফ্রান্সের পুলিশ রেকর্ড ঘাঁটাঘাঁটি করলেই । এমনকি  কর্মক্ষেত্রে বাংলাদেশীদের বিরুদ্ধে কোন রকমের অসদাচরণের নজির নেই। সম্প্রতি কর্মক্ষেত্র বা বাইরে থেকে বাসায় যাওয়া-আসার পথে অনেকেই আশংকাজনকভাবে সন্ত্রাসী আক্রমণের শিকার হচ্ছেন। এ সময় সন্ত্রাসীরা নিরীহ বাংলাদেশীদের কাছ থেকে নগদ টাকা, মোবাইল টেলিফোন কেড়ে নেয়। সন্ত্রাসীরা সব নিয়েই শান্ত হচ্ছে না বরং শারিরীকভাবে নির্যাতন করছে এমনকি গুলি করছে। অনেক বাংলাদেশী শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়ে হাসপাতালে রয়েছেন । অতি  সম্প্রতি প্যারিসসহ ইল দ্য ফ্রান্সের বাংলাদেশী অধ্যুষিত বিভিন্ন এলাকায় আমাদের উপরে দুর্বৃত্তরা প্রতিনিয়ত আক্রমণ করছে। আমাদের ভাষাগত দুর্বলতা এবং ফ্রান্সের আইন-কানুন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা না থাকায় অনেকেই পুলিশে রিপোর্ট করতে ভয় পান । এতে করে দুর্বৃত্তরা আমাদের এই দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে আমাদের উপরে হামলার পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে । সম্প্রতি গার্জ সারসেলে জনৈক রুহুল আমিনকে ৫ টি গুলি করে তাঁর সাথে থাকা টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। আমরা পুলিশ এর কাছে এই ব্যাপারে অভিযোগ করলে তাঁরা আমাদেরকে যথেষ্ট সহযোগিতার আশ্বাস দেন । অভিযোগ রয়েছে, এখন বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকাতে আমাদের ওইখানে বসবাসরত অনেকের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করছেন দুর্বৃত্তরা । বিভিন্ন ভুক্তভুগীদের সাথে কথা বলে জানা যায় , এই সব ঘটনার সাথে জড়িত আফ্রিকান এবং এরাবিক অরিজিন এর কিছু মানুষ ।

রিপোর্ট অনুযায়ি, ২০১৬ সালে বাংলাদেশিদের উপরে মোট শতাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে এবং ২০১৭ সালে এ ধরনের হামলার ঘটনা আরো বেড়ে গেছে । এমন অবস্থায় আমরা প্যারিসে বসবাসরত বাংলাদেশিরা চরম উদ্বিগ্ন অবস্থায় আছি । এখানে উল্লেখ্য করা প্রয়োজন যে, এমন হামলার পরিপ্রেক্ষিতে প্যারিসের  বাংলাদেশি কমিউনিটির পক্ষ থেকে "প্যারিস বাংলা প্রেস ক্লাব" গত ৮-৯ মাস ধরে বিভিন্নভাবে এই হামলার প্রতিবাদসহ সংশ্লিষ্ট ফরাসি প্রশাসনের সাথে কথা বলে আসছেন । গত বছর সাংবাদিক মামুনের উপর আক্রমণের পর ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এর সামনে মানব বন্ধন করেন এবং স্মরকলিপি প্রদান করেন । এরই ধারাবাহিকতায় , ১৯ মার্চ প্যারিসে বসবাসরত সকল বাংলাদেশিদের নিয়ে আমরা একটা মানববন্ধন করেছি এবং সেই মানববন্ধনে আমরা ব্যাপক মানুষ উপস্থিত হয়ে ফ্রান্স প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি ।

আমরা জানি, ফ্রান্স সুষ্ঠ আইন এবং শাসনের দেশ । এদেশে অন্যায় করে কেউই পার পাবে না। ফ্রান্সের আইনের প্রতি আমাদের শতভাগ শ্রদ্ধা এবং আস্থা রয়েছে। ফ্রান্সের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা এবং আস্থা রেখে আমরা বলতে চাইছি বাঙালি অধ্যুষিত এলাকা যেমন সেইন সেন্ট ডেনিসের কেথসীমা, লা কর্নভ, পিয়ারফিত, সেভরন, ভিলতানুস, ভাল দোয়াসের সারসেল, প্যারিসসহ এইসব এলাকাগুলোতে দয়া করে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করুন । রাতের আঁধারে বিশেষ  বিশেষ এলাকায় ছিনতাইয়ের শিকার এসব বাংলাদেশীদের রক্ষার পাশাপাশি অপরাধ নির্মুলের জন্য আপনাদের সহায়তা কামনা করা হচ্ছে। আপনাদের সকলের কাছে অনুরোধ এই পিটিশনে স্বাক্ষর করে আমাদের দাবিকে সমর্থন জানান ।

আমরা নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে এই স্বাক্ষর সম্বলিত পিটিশন ফ্রান্সের যথাযত কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাবো যেন তাঁরা ফ্রান্সে বিশেষ করে প্যারিসে বসবাসরত বাঙালিদের উপরে হামলা বন্ধে প্রয়োজনীয় সকল কার্যকরী পদক্ষেপ নিবেন ।



Bangladeshi Community compte sur vous aujourd'hui

Bangladeshi Community in France a besoin de votre aide pour sa pétition “Ministère de l'intérieur France: Nous aimons la France. Nous voulons rentrer à la maison en toute sécurité après le travail”. Rejoignez Bangladeshi Community et 200 signataires.