Justice for the Casual Non-Teaching Staffs of Govt. Aided Colleges in West Bengal

Justice for the Casual Non-Teaching Staffs of Govt. Aided Colleges in West Bengal

0 have signed. Let’s get to 1,500!


আমরা পশ্চিমবঙ্গের কলেজ গুলিতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে চলা অস্থায়ী শিক্ষাকর্মী। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন কলেজে পূর্ণ সময়ের শিক্ষাকর্মীদের অভাব ও সেই কর্মী স্বল্পতার জন্য কলেজের বিভিন্ন কাজ কর্ম পরিচালন করতে সমস্যার সম্মুখীন হয়ে কলেজের পরিচালন সমিতি বিভিন্ন সময়ে নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করে ও মান নির্ণায়ক পরীক্ষার  মাধ্যমে কলেজগুলিতে অস্থায়ী শিক্ষাকর্মীদের নিয়োগ করে। দীর্ঘদিন যাবৎ কলেজের প্রতিটি কাজের সাথে জড়িয়ে থেকেও অস্থায়ী কর্মীদের না আছে কোন ধরনের সরকারি স্বীকৃতি না আছে নির্দিষ্ট বেতন কাঠামো। কোথাও ২০০০ টাকা কোথাও ৬০০০ টাকা মাসিক বেতনে অস্থায়ী কর্মীরা কাজ করে চলেছে দিনের পর দিন। বর্তমান সময়ে দ্রব্যমুল্যের বৃদ্ধির কারনে কলেজে কর্মরত প্রতিটি অস্থায়ী শিক্ষাকর্মীর সংসার চালানো দায় হয়ে পড়েছে। দিন দিন এক অন্ধকার কুয়ার মধ্যে তারা পড়ে যাচ্ছে। এই দুর্বিষহ পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে চারুচন্দ্র কলেজের এক অস্থায়ী শিক্ষাকর্মী। বহুবার শিক্ষা দফতর এর অধিকর্তা দের সাথে ও মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীকে এই বিষয়টি জানানো সত্বেও প্রতিবারই ওনাদের উদাসীনতার সম্মুখীন হতে হয়েছে আমাদের প্রতিনিধিদের। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নির্দেশ নামা 3998 F(P2) যা কিনা সকল অস্থায়ী কর্মীদের জন্যে তৈরি করা তা আজ পর্যন্ত লাগু হয়নি শিক্ষা দফতর এর সাথে যুক্ত কলেজের অস্থায়ী শিক্ষাকর্মীদের উপর। কিন্তু একই ভাবে, একই পরিচালন সমিতির দ্বারা নির্বাচিত হয়ে যে সকল অতিথি শিক্ষক শিক্ষিকা রা কলেজে পড়াচ্ছিলেন তাদের বিগত দিনে শিক্ষা দফতর সরকারি মান্যতা দিয়ে SACT এর আওতায় নিয়ে এসেছেন। এই পরিস্থিতিতে কলেজে কর্মরত অস্থায়ী শিক্ষাকর্মীরা তাদের প্রতি হওয়া এই দ্বিচারিতার বিরুদ্ধে আপনাদের জনমত চাইছে। কলেজে কর্মরত অস্থায়ী শিক্ষাকর্মীরা কোন দিনই স্থায়ীকরনের দাবি তোলেনি। যদিও কর্মস্থলে অস্থায়ী শিক্ষাকর্মীদেরও সকল প্রকার কাজ করতে হয়। আমরা বরাবরই একটি নির্দিষ্ট বেতন কাঠামো ও সরকারি স্বীকৃতি চেয়ে এসেছি। যা  3998F(P2) এই সরকারি নির্দেশনামায় বর্ণিত। আমাদের এই অধিকার, আমাদের এই জীবন মড়নের দাবিটুকু পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিক্ষা দফতর মান্যতা দিতে চায়নি। এই অবস্থায় আমরা অসহায় হয়ে আপনাদের অর্থাৎ এই বাংলার সাধারণ জনগণের কাছে এই পিটিশন নিয়ে এসেছি। যদি আপনি আমাদের এই দাবিটি সঠিক বলে মনে করেন তাহলে এই পিটিশনটিতে সই করে আমাদের প্রতি আপনার সমর্থন জানান তাহলে পশ্চিমবঙ্গের কলেজ গুলিতে কর্মরত ৬০০০ হাজার অস্থায়ী  শিক্ষাকর্মী ও তাদের পরিবার উপকৃত হবে।

পশ্চিমবঙ্গ কলেজ ক্যাজুয়াল এমপ্লয়িজ সমিতি।।।