Joint Platform of Doctors, West Bengal

26,131 supporters

    Started 3 petitions

    Petitioning Mamata Banerjee

    Scrap Ganga Sagar Mela, Prepare for Third Wave

    The number of Covid patients has been steadily increasing for the last few days. The number of infected people in the state has increased tenfold in the last five days, according to official figures. No doubt several times more is the number of untested infected people. The situation is likely to get worse in the next few days, with many people at risk of being infected at the same time. If even a small percentage of them are hospitalized and need treatment, it will go beyond the overall capacity of hospitals of our state. Right now, many doctors and medical staff are affected. As a result, the epidemic is likely to be more difficult to deal with this time. The administrative activities of the last few weeks are largely responsible for creating this situation. Ignoring all the warnings and warnings of the doctors, the public meeting and procession were held in violation of all the restrictions on the campaign of the Kolkata Municipal Corporation. All the political parties have participated in it with great enthusiasm. The administration did not even think of taking any action but helped to encourage it. After that, with the encouragement and persuasion of the government itself, the common people have been involved in celebrating the Christmas and the New Year without any restraint. The number of hospitalized Covid patients is increasing now and will increase in the near future. We, the doctors, could not forget the horrible situation of May last year, we could not forget the days of people crying for oxygen bed and the series death processions. In this situation, if the Ganga Sagar Mela is held from January 10, 2022, it will be a terrible situation, which  can be understood with a little intelligence and humane feeling without the help of any expert or statistician. On behalf of the Joint Platform of Doctors, West Bengal, a joint platform of medical organizations of West Bengal, we demand the Government of West Bengal to take immediate action to stop the Ganga Sagar fair and issue necessary orders. It should not be forgotten that people from different parts of India gather at this fair. Everyone knows from past experience what has spread from such fairs. If the state government sponsors this fair, then the responsibility of spreading the infection all over the country will fall on that government alone. We hope the government, realizing the importance of our concerns, will take immediate action to stop this fair. Besides, the Joint Platform of Doctors is demanding from the government - 1. Increase the number of covid tests to find infected people, 2. The private hospitals which were acquired as Covid Hospitals during the second wave should be re-acquired. All the closed wards of government hospitals should be reopened. Joint Platform of Doctors, West Bengal (Association of Health Service Doctors, West Bengal Doctors Forum, Health Service Association, Shramajibi Swasthya Udyog, Doctors For Democracy)

    Joint Platform of Doctors, West Bengal
    10,281 supporters
    Petitioning All political parties

    Follow Covid Protocols during West Bengal Assembly Elections

    গত সাত দিন ধরে রাজ্যে কোভিড আক্রান্তদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়ে চলেছে। রাজ্যে বেশ কয়েকজনে রোগীর শরীরে মিউট্যান্ট স্ট্রেনও পাওয়া যাচ্ছে। মনে রাখতে হবে পরীক্ষার সংখ্যা কিন্তু আগের তুলনায় অনেক কম। পরশু সারা দেশে ২২৮৪১ জন নতুন রোগী ধরা পড়েছেন। ২৫শে ডিসেম্বর, ২০২০ (২২৩৫০)-র পর এই প্রথম এক দিনে এতো রোগী ধরা পড়লেন। অনেক হাসপাতালে আবার কোভিড আইসিইউ এবং এইচডিইউগুলি ভর্তি হয়ে থাকছে, কোভিড আইসিইউ বা এইচডিইউ-তে বেড পাওয়া যাচ্ছে না, পাওয়া যাচ্ছে না ফ্রিতে ভেন্টিলেটর। দ্বিতীয় ঢেউ এর বিষয়ে নিশ্চিত করে বলা না গেলেও এই প্রবণতা যথেষ্ট আশংকার। রাজ্যে আসন্ন নির্বাচনে উপলক্ষে সব রাজনৈতিক দলের মিছিল মিটিং সমাবেশের প্রতিযোগিতায় কোভিড বিধি উধাও। অংশগ্ৰহণকারী সাধারণ মানুষ, নেতা-নেত্রীরা, এমনকি নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ, রক্ষীবাহিনীর অধিকাংশের মুখে মাস্ক নেই, থাকলেও তা থুতনিতে নামিয়ে রাখাটাই রীতি হয়ে গেছে, দূরত্ববিধি মানার কোন লক্ষণ নেই। অর্থাৎ সংক্রমণ ছড়ানোর প্রতিটি কর্মই পালিত হচ্ছে এবং সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলি নানা বিষয়ে পরস্পরকে বিরোধিতা করলেও এই বিষয়ে সব দলই হিরন্ময় নীরবতা পালনের পক্ষে সহমত। রাজ্যবাসীকে এই বিষয়ে সতর্ক করা চিকিৎসক হিসেবে আমাদের কর্তব্য, নৈতিক দায়িত্বও। আমরা কেউই চাই না ২০২০-র সেই ভয়ংকর দিনগুলি আবার দেখতে। আমাদের মনে রাখতে হবেঃ ১। সমীক্ষা অনুযায়ী জনসংখ্যার মাত্র এক চতুর্থাংশ থেকে এক তৃতীয়াংশের মধ্যে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। বাকী মানুষেরা এখনো কোভিড থেকে নিরাপদ নন। ২। ১০ কোটি রাজ্যবাসীর মধ্যে টীকা পেয়েছেন মাত্র ২০.৩ লক্ষ জন টীকা পেয়েছেন সব মিলিয়ে। অর্থাৎ এঁদের মধ্যে কেউ একটিমাত্র বা কেউ দুটি ডোজ পেয়েছেন। আর পরীক্ষা হয়েছে ৮৭লক্ষের কিছু বেশি মানুষের।৩। ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলির দাবী অনুযায়ী কোভিশিল্ড বা কো-ভ্যাক্সিন যেটাই দেওয়া হোক –একমাস অন্তর দুটি ডোজ নেবার পর আরও মাস খানেক বাদে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হবে। নির্বাচন কর্মীদের প্রথম ডোজ দেওয়া শুরু হয়েছে কিছুদিন আগে। তাই তাদের প্রতিরোধ শক্তি গড়ে ওঠার আগেই তাদের কাজ করতে হবে। ৪। রাজনৈতিক কর্মী ও বিশাল সংখ্যক মানুষ যাঁরা ভোটের প্রচারে, প্রস্তুতিতে বা ভোটের দিনে ভোটের লাইনে, বুথের ভেতরে থাকবেন তাঁদের ঝুঁকি থাকবে সবচেয়ে বেশি। তাই সকলের কাছে, বিশেষত রাজনৈতিক দলগুলির কাছে আমাদের করজোড়ে অনুরোধঃ ১। রাজনৈতিক দলগুলির মিছিলে, জমায়েতে এই দু মাস স্বাস্থ্যবিধি পালনের কথা ভুলে গেলে চলবে না। ২। মিছিল লম্বা হোক, যাতে অংশগ্রহণকারীরা অন্তত ৩ ফুট ছাড়া ছাড়া থাকেন।৩। মিটিং হোক বড় বড় মাঠে, দূরত্ববিধি মেনে চলুন। বড় মাঠ না পেলে খোলা জায়গায় মিটিং হোক। ৪। নির্বাচনী জমায়েতে এবং পোলিং বুথে মাস্ক বাধ্যতামূলক করা হোক। একটির বদলে দুটি মাস্ক পরে থাকুন সঠিকভাবে, থুতনিতে নামিয়ে, কানে ঝুলিয়ে নয়। ৫। রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীরা ভোট চাওয়ার পাশাপাশি কোভিড প্রতিরোধ বিষয়ে প্রচার করুন। নিজেরা বিধি পালন করে সাধারণ মানুষকে অনুপ্রাণিত করুন, দিশা দেখান, দৃষ্টান্তস্থাপন করুন। ৬। এরই সঙ্গে সরকারি উদ্যোগে কোভিড পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ানো হোক। ৭। নির্বাচন কমিশনের কোভিড প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিধি কঠোর ভাবে মেনে চলা হোক। ৮। ভোটের দিন নিজের কাছে স্যানিটাইজার, সাবান সঙ্গে রাখুন। রাজনৈতিক দলগুলি তাদের পোলিং ক্যাম্পে সাবান দিয়ে হাত ধোওয়া, স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখুক। ৯। বেসরকারী হাসপাতাল থেকে ২৫০ টাকায় করোনার টীকা নয়, সমস্ত দেশবাসীর সরকারি উদ্যোগে বিনামূল্যে টীকাকরণের দাবি তুলুন। সুস্থ থাকুন, সুস্থ রাখুন। ডা হীরালাল কোঙারডা পুণ্যব্রত গুণযুগ্ম আহ্বায়কজয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরস, ওয়েস্ট বেঙ্গল(এসোশিয়েসন অফ হেলথ সার্ভিস ডক্টরস, ডক্টরস ফর ডেমোক্রাসি, হেলথ সার্ভিস এসোশিয়েসন, শ্রমজীবী স্বাস্থ্য উদ্যোগ, ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টরস ফোরাম)

    Joint Platform of Doctors, West Bengal
    375 supporters
    Petitioning cm@wb​.​gov​.​in

    Restrict Durga Puja Celebrations, Prevent Rise in COVID 19 Cases

    মাননীয়া, আমরা সকলেই জানি শারোদৎসব বাঙালির আবেগ আনন্দ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করার সবচেয়ে বড় উৎসব। উৎসব পালনের উন্মাদনা বিশ্বের নানা দেশের সঙ্গে আমাদের দেশে আমাদের রাজ্যেও আছে। কিন্তু এখন করোনা-কাল ! মহারাষ্ট্রে গণেশ চতুর্থী নিয়ে মাতামাতি আটকানো গেছে। নবরাত্রিতে ঐতিহ্যশালী গর্বা নাচ বাতিল করেছে গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র। প্রশাসনের সঠিক ভূমিকায় আমাদের রাজ্যেও ঈদ মহররম পালিত হয়েছে ঘরের মধ্যে! উল্টোদিকে উৎসব পালনের আবেগকে অধিকতর মান্যতা দিতে গিয়ে স্বাস্থ্যবিধিতে শিথিলতা ঘটে কি ভয়ংকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় তার পরিচয় আমরা পেলাম কেরালায়। ওনামের লাগামহীন উৎসব পালনের পর সেই রাজ্যে কোভিড সংক্রমণ বেড়ে গেছে সাড়ে সাতশো শতাংশ। ভয়াবহ পরিস্থিতির কারণে সেখানে রাজ্যজুড়ে ১৪৪ ধারা জারি হয়েছে। স্পেনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপনের জন্য আর‌ একটি ফুটবল ম্যাচের জনসমাগমের পর সে দেশে কোভিড সংক্রমণ তুঙ্গে ওঠে। পশ্চিমবঙ্গেও মহালয়া ও বিশ্বকর্মা পুজোর পর থেকে লক্ষ্যণীয় ভাবে সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে! এটা অশনি সংকেত! এইসব ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে চিকিৎসা বিজ্ঞানের বাস্তবতা বিচার করে আমাদের ধারণা আসন্ন পূজোর সময় উপযুক্ত সাবধানতার অভাব ঘটলেএই রাজ্যের নাগরিকদের জন্য এক গণ আত্মঘাতী পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। সংক্রমণের সুনামি ঘটে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। চিকিৎসক স্বাস্থ্য কর্মীদের, পুলিশ প্রশাসন কর্মীদের একটানা এতদিনের সব পরিশ্রম, জীবনদান ও সরকারের এতদিনের সব সদর্থক উদ্যোগ কয়েকদিনের সাময়িক আনন্দ উন্মাদনার জন্য নষ্ট হতে দেওয়া যায় না। রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান হিসাবে আপনার কাছে আমাদের সনির্বন্ধ অনুরোধ ১) পূজা প্যান্ডেলগুলিতে যাতে জন সমাগম নিয়ন্ত্রিত এবং শারীরিক দূরত্ববিধি মেনে হয়, তা নিশ্চিত করুন।২) সবাই যাতে মাস্ক পরে তার দিকে নজর দেওয়া হোক, সরকারী বরাদ্দের টাকার এক অংশ পূজাকমিটিগুলি মাস্ক কেনার জন্য খরচ করুক। যাঁরা মাস্ক না পরে প্যান্ডেলে আসছেন, তাঁদের মাস্ক দেওয়া হোক।৩) পূজা মন্ডপের প্রবেশ পথে হাত স্যানিটাইজেশনের ব্যবস্থা থাকুক।৪) পূজা উপলক্ষ্যে যেসব জলসা বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়, সেগুলি এবার বন্ধ থাকুক।৫) পূজার সময় সব ব্যানার-ফেস্টুনে মাস্ক-এর ছবি থাকুক।৬) যে পূজাগুলিতে পুরোহিত-সংগঠক-দর্শনার্থী সহ সবাই মাস্ক পরবেন, হাত স্যানিটাইজেশনের ব্যবস্থা থাকবে, শারীরিক দূরত্ববিধি মানা হবে, সেগুলিকে বিশেষ শারদ সম্মানে ভূষিত করা হোক।৭) ই-পূজা, ই- রিচুয়াল, ভার্চু়্য়াল দর্শন করা যায় কিনা, প্রশাসন বিবেচনা করুক। আন্তরিক শ্রদ্ধাসহ

    Joint Platform of Doctors, West Bengal
    15,475 supporters